Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
New Zealand

ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ‘অন্যায্য’, বেঁকে বসলেন নিউজিল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী, আপত্তি কোথায়?

পিটার্সের হুঁশিয়ারি সংসদে তাঁর দল এই চুক্তির বিরোধীতা করবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৪:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৪:০৩

options
link
ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ‘অন্যায্য’, বেঁকে বসলেন নিউজিল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী, আপত্তি কোথায়? zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি এখনও চুড়ান্ত হয়নি। দফায় দফায় বৈঠকের পরেও পাওয়া যায়নি সমাধানসূত্র। এর মাঝেই নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে ভারত। যদিও, মাত্র নয় মাসের আলোচনায় সই হওয়া চুক্তি নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে নিউজিল্যান্ডের রাজনৈতিক মহলে। মুখ খুলেছেন বিদেশমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স। সদ্য ঘোষিত ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (FTA) তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। এই চুক্তিকে “মুক্ত বা ন্যায্য নয়” বলেন তিনি। পিটার্সের হুঁশিয়ারি সংসদে তাঁর দল এই চুক্তির বিরোধিতা করবে।

বুধবার একটি বিবৃতিতে পিটার্স অভিযোগ করেছেন, এই চুক্তি করার সময় নিউজিল্যান্ডের তরফে সে দেশের প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। তাঁর মতে সেদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেয়ারি ক্ষেত্রে ভারতে রপ্তানিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, নিউজিল্যান্ডের জন্য এই চুক্তি একদমই লাভজনক নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পিটার্সের মতে, এই চুক্তিতে নিউজিল্যান্ড ভারতীয় পণ্যের জন্য তার বাজার সম্পূর্ণ খুলে দিলেও, ভারত নিউজিল্যান্ডের প্রধান দুগ্ধজাত পণ্য রপ্তানির উপর শুল্ক হ্রাসের প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়নি। তাঁর দাবি, নিউজিল্যান্ডের কৃষক এবং গ্রামীণ মানুষের কাছে এই চুক্তির যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা ‘অসম্ভব’।

বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে এই এফটিএ নিউজিল্যান্ডের প্রথম বাণিজ্য চুক্তি যেখানে দুধ, পনির এবং মাখনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুগ্ধজাত পণ্য বাদ দেওয়া হবে। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বছরে দুগ্ধজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩.৯৪ বিলিয়ন ডলার। যা দেশের মোট পণ্য রপ্তানির প্রায় ৩০ শতাংশ।

মাত্র নয় মাসের মধ্যে এই এফটিএ চুক্তি সাক্ষর হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট দলের নেতা পিটার্সের অভিযোগ, জোটসঙ্গী জাতীয় দলকে বার বার সাবধান করা হয়ে এই চুক্তির বিষয়ে। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে যখন চুক্তিটির জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন চাওয়া হয়, তখন নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট তাঁদের জোটের নিয়ম মেনে, “অসম্মতি থাকলেও সম্মত” বলে জানায়। তারা স্পষ্ট করে দেয় আইন কার্যকর করার জন্য সংসদে এর বিরুদ্ধে ভোট দেবে তারা।

পিটার্স জানিয়ে দিয়েছেন, এই চুক্তির বিরোধীতা করলেও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার পক্ষে রয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ক কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রসঙ্গত, সোমবার ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুজন এই চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মোদি। দুই দেশের মধ্যে এই বাণিজ্য চুক্তিকে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বলে জানিয়েছেন দু’জনেই। এই বছরের মার্চে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। মাত্র নয় মাসের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

এই চুক্তির সাহাজ্যে ভারত-নিউজিল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে দাবি দুই দেশেরই। এই চুক্তির সাহাজ্যে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসার পরিসর, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে বলে মনে করছে সরকার। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ আগামী পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.