সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কঃ আগেই ঘোষণা হয়েছিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলিকে বন্ধ করে দেবে উত্তর কোরিয়া। কিন্তু দিনটা কবে? তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। জট কাটিয়ে উত্তর কোরিয়া-আমেরিকার মধ্যে বাড়তে থাকা বন্ধুত্বের সম্পর্কে এবার নতুন মাত্রা যোগ করল পিয়ংইয়ং। দুই দেশের সর্বাধিনায়ক ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের বৈঠকের আগেই চলতি মাসের ২৩ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে দেশের সমস্ত পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলিকে বন্ধ করবে বলে ঘোষণা করে দিল উত্তর কোরিয়া। শনিবার ঘটা করে সে কথা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার বিদেশমন্ত্রক।
North Korea has announced that they will dismantle Nuclear Test Site this month, ahead of the big Summit Meeting on June 12th. Thank you, a very smart and gracious gesture!
Advertisement— Donald J. Trump (@realDonaldTrump) May 12, 2018
কয়েক মাস আগেও তাঁদের ছিল সাপে-নেউলে সম্পর্ক। পরস্পরকে পরমাণু হামলায় উড়িয়ে দেওয়ার নিয়মিত হুমকি দিতেন একে অপরে। রাষ্ট্রসংঘ থেকে শুরু করে আমেরিকা-সহ বিশ্বের তাবড় দেশের চোখরাঙানিকে উপেক্ষা করে গত আড়াই বছর ধরে লাগাতার পরমাণু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা, দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছেন কিম। ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে পরমাণু বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিত্য নতুন হুমকিতে যুদ্ধের আশঙ্কা তীব্রতর হয়েছে সময়ে সময়ে। সম্মুখসমরে অবতীর্ণ হয়েছিল উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকা।
[ আত্মরক্ষার জন্য ‘ধর্ষক’ স্বামীকে খুন, তরুণীকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দিল আদালত ]
এরপরেই চলতি মাসের শুরুতে সম্পর্কের জট কাটার ইঙ্গিত মেলে। দীর্ঘ ৬৫ বছরের দ্বন্দ্ব ভুলে বন্ধুত্বের নয়া ইনিংস শুরু করে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া। সেই বৈঠকেই কিম জং উনকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হওয়ার জন্য রাজি করিয়ে নেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন। সেই থেকে শুরু। দিন কয়েক আগেই ওয়াশিংটন জানিয়েছিল, আগামী মাসের ১২ তারিখে সিঙ্গাপুরে হতে চলেছে সেই ঐতিহাসিক মিলন পর্ব। দীর্ঘদিনের উত্তাপ-দ্বন্দ্ব ভুলে প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন।
[ প্রার্থনা চলাকালীন আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ইন্দোনেশিয়ার তিনটি গীর্জায় ]
সেই বন্ধুত্বের শুভ সূচনায় নৈবেদ্য চড়ালেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন। সূত্রের খবর, পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে ঢোকার রাস্তা বিস্ফোরণের মাধমে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করা হবে, সমস্ত পরীক্ষা কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য ব্যবহার করা মায়দানগুলিকেও। সরিয়ে নেওয়া হবে পরীক্ষা কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে কর্মরত সমস্ত শ্রমিককে। পিয়ংইয়ং জানিয়েছে, তারা স্বাগত চানাবেন আমেরিকা, উত্তর কোরিয়া, চিন, রাশিয়া ও ইংল্যান্ডের সাংবাদিকদের। তাঁদের ঘুরিয়ে দেখানো হবে বন্ধ করে দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলি।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক