Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Pakistan

নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠনের বিক্ষোভ সামলাতে ব্যর্থ পাকিস্তান! বিরোধীদের চাপে কোণঠাসা ইমরান

অগ্নিগর্ভ পাকিস্তানে কাঠগড়ায় ইমরান সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২১, ১৪:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২১, ১৪:২৪

options
link
নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠনের বিক্ষোভ সামলাতে ব্যর্থ পাকিস্তান! বিরোধীদের চাপে কোণঠাসা ইমরান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কোণঠাসা ইমরান খান (Imran Khan)। গত এক সপ্তাহ ধরে লাগাতার বিক্ষোভে জ্বলছে পাকিস্তান (Pakistan)। কট্টর ইসলামপন্থী দল ‘তেহরিক-ই-লাবায়েক পাকিস্তান’-এর (TLP) নেতার গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ ইসলামাবাদ। আর এসবের জন্য ইমরানের সরকারের ‘ব্যর্থতা’কেই কাঠগড়ায় তুলছে বিরোধীরা। হিংসার বিরুদ্ধে হিংসা দিয়ে যে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়, একথা বলে পাক প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন বিরোধী নেতা বিলাবল ভুট্টো জারদারি।

‘পাকিস্তান পিপলস পার্টি’র প্রধান জারদারির অভিযোগ, সমস্যার মূলে না পৌঁছে কেবলই তাৎক্ষণিক ভাবে সমস্যার সমাধান করতে চাইছে ইমরান প্রশাসন। কিন্তু পরিস্থিতির সমাধান তো হচ্ছেই না, উলটে রক্তপাত ও মৃত্যুর মতো অনভিপ্রেত সব ঘটনা ঘটছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘কেন দেশের নির্বাচিত সরকার জাতীয় অ্যাকশন প্ল্যান কার্যকর করল না কিংবা সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করল না?’’
গত রবিবার দিনভর পুলিশের সঙ্গে টিএলপি’র সমর্থকদের সংঘর্ষ চলতে থাকে। নিষিদ্ধ ওই সংগঠনের দাবি, তাদের চারজন সমর্থক মারা গিয়েছে পুলিশের গুলিতে। সেই সঙ্গে আহত হয় বহু বিক্ষোভকারী। সংঘর্ষের ধাক্কায় চোট পান বহু পুলিশকর্মীও। বিলাবলের অভিযোগ, এই সমস্ত রক্তপাতের জন্য ইমরান সরকারই দায়ী। একই বক্তব্য অন্য বিরোধী নেতাদেরও। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত মার্কিন মুলুক, টেক্সাসে মৃত অন্তত ৩]

ঠিক কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ? ফ্রান্সের ‘শার্লি এবদো’-তে হজরত মহম্মদের ব্যঙ্গচিত্র আঁকাকে কেন্দ্র করেই টিএলপির বিক্ষোভ। তাদের দাবি, ফ্রান্সের সঙ্গে সব রকম সম্পর্ক বন্ধ করতে হবে। ফরাসি রাষ্ট্রদূত-সহ পাকিস্তানে থাকা সমস্ত ফরাসি নাগরিক ও সংস্থাগুলিকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে নির্দেশ দিতে হবে। গত নভেম্বরেই ইমরান খানের ‘তহরিক-ই-ইনসাফ’ সরকার টিএলপির সঙ্গে চুক্তি করেছিল ফরাসি রাষ্ট্রদূতের বহিষ্কারের ব্যাপারে সম্মতি জানিয়ে। তখন জানা গিয়েছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এব্যাপারে পদক্ষেপ করবে সরকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

সেই চুক্তির মেয়াদই শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল। কয়েকদিন আগে গ্রেপ্তার করা হয় দলের প্রধান সাদ হুসেন রিজভিকে। এরপর পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল টিএলপির বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে। ঘটনার পরে তাদের নিষিদ্ধ করে পাক সরকার। যাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তাপ বাড়ে বিক্ষোভের। যা চরম আকার নেয় গত রবিবার। প্রসঙ্গত, আজই পাকিস্তানের সংসদে ভোটাভুটির মাধ্যমে ঠিক হবে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের ভবিষ্যৎ। তাঁকে পাকিস্তান থেকে বহিষ্কার করা হবে কিনা তা ঠিক হবে ভোটের মাধ্যমে। 

[আরও পড়ুন: নিয়ন্ত্রণে করোনা, গোটা বিশ্বের উলটোপথে হেঁটে মাস্ক পরার নিয়ম শিথিল ইজরায়েলের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.