১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫এ ধারার বিলুপ্তি ঘটিয়ে যে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র, রাজনৈতিক মহলে তার মিশ্র প্রতিক্রিয়া  মিলেছে৷ একাংশ সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও, এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন অনেকেই৷ যাঁদের মধ্যে অন্যতম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, লেখিকা অরুন্ধতী রায়, কংগ্রেস এবং বামেরা৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত বিরোধিতা করেছেন এরা প্রত্যেকে৷ আর মোদি বিরোধী এই সুরগুলিকেই এবার নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছে পাকিস্তান৷ লাইভ বিতর্ক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরুন্ধতী রায়, কংগ্রেস ও বামপন্থীদের পাকিস্তানে ‘সমব্যথী’ বলে দাবি করলেন ওদেশের সাংবাদিক তথা রাজনীতিক মুশাহিদ হোসেন৷

[ আরও পড়ুন: বিক্ষোভকারীদের দখলে হংকং বিমানবন্দর, কড়া হুঁশিয়ারি চিনের ]

জানা গিয়েছে, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির বিরোধিতা করে সোমবার একটি বিতর্ক সভার আয়োজন করে পাক সংবাদমাধ্যম জিও টিভি৷ সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয় রাজনীতিক মুশাহিদ হোসেনকে৷ অনুষ্ঠান চলাকালীন শোয়ের সঞ্চালক তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘‘কীভাবে কাশ্মীরিদের দুর্দশা দূর করা যাবে৷’’ এবং এই প্রশ্নের উত্তরেই কৌশলে ভারতের মোদিবিরোধী সুরকে ইসলামাবাদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করে মুশাহিদ হোসেন৷ বিজেপি বিরোধীদের কাছে টানার চেষ্টা করে এই পাক সাংবাদিক৷ সে জানায়, ‘‘ভারত একটি বড় দেশ৷ অরুন্ধতী রায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস, বাম ও দলিত দলগুলি আমাদের সমব্যথী৷ ভারতের সকলে মোদির সঙ্গে নেই৷’’ পাক কূটনীতিকের এই বক্তব্যেই তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক৷

[ আরও পড়ুন: আত্মহত্যা না খুন? এপস্টেইনের মৃত্যুতে উত্তাল আমেরিকা ]

উল্লেখ্য, ৩৭০ ও ৩৫এ ধারার বিলুপ্তি ঘটিয়ে কাশ্মীরের পুনর্জন্মে সবচেয়ে বেশি অসন্তুষ্ট পাকিস্তান৷ প্রথম থেকেই নয়াদিল্লির এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব ইসলামাবাদ৷ আন্তর্জাতিক মহলে ভারতে প্যাঁচে ফেলতে কোনও কসুর করেনি ইমরান সরকার৷ রাষ্ট্রসংঘ থেকে শুরু করে আমেরিকা, চিন, রাশিয়া সকলের দ্বারস্থ হয়েছে তারা৷ কিন্তু হতাশ হয়েই ফিরতে হয়েছে৷ প্রথমে মধ্যস্থতার বার্তা দিলেও, এখন তাঁর পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও৷ ফলে কাশ্মীর ইস্যুতে কার্যত পরাজয় হয়েছে পাকিস্তানের৷ ভারতের কৌশলের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে ইসলামাবাদ৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং