Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Asim Munir

‘ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে খোদ আল্লার সাহায্য এসেছিল’, আজব দাবি মুনিরের

১৪০০ বছর আগের ইসলামি রাজের সঙ্গে বর্তমান পাকিস্তানের তুলনা মুনিরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১৪:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১৪:২০

options
link
‘ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে খোদ আল্লার সাহায্য এসেছিল’, আজব দাবি মুনিরের zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে ভারতের হাতে সপাটে চড় খেলেও যুদ্ধ জয়ের মিথ্যে দাবি থেকে পিছু হটতে নারাজ পাকিস্তান। সেই দাবিকে আরও শক্তিশালী করতে এবার আল্লার আশ্রয় নিলেন পাক সেনা প্রধান আসিম মুনির (Asim Munir)। তাঁর নয়া দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালীন সরাসরি আল্লার থেকে সাহায্য এসেছিল পাকিস্তানের কাছে। মুনির নিজে সেই দৈব সাহায্যের আভাস পেয়েছেন বলে দাবি।

সম্প্রতি ইসলামাবাদে জাতীয় উলেমা সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ প্রসঙ্গ তুলে ধরেন পাকিস্তানের সেনা সর্বাধিনায়ক আসিম মুনির। তিনি দাবি করেন, ”ভারতের বিরুদ্ধে যখন যুদ্ধ চলছিল সেই কঠিন সময়ে আল্লাহ আমাদের দিকে সাহয্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমরা আল্লার সেই সাহায্যকে সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছি এবং উপলব্ধি করেছি।” শুধু তাই নয়, পাক মৌলবাদীদের মন যোগাতে মুনির ১৪০০ বছর আগে আরবে পয়গম্বরের ইসলামি রাজের সঙ্গে বর্তমান পাকিস্তানের তুলনা টানেন। নিজের বক্তব্যে বার বার কোরানের নানান আয়াত পড়ে শোনান পাক সেনাপ্রধান। মুসলিম নেতাদের বোঝান, পাকিস্তানের জন্য ইসলামের প্রয়োজনীয়তা কতখানি।

Advertisement

নিজের ভাষণে মুনির আরও জানান, “গোটা বিশ্বে ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্র রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে পাকিস্তানের উপর আল্লা বিশেষ আশীর্বাদ বর্ষণ করেছেন। আল্লা পাকিস্তানকে সৎ মুসলিমদের রক্ষক হিসেবে গড়ে তুলেছেন।” এরপরই আফগানিস্তানকে নিশানায় নেন মুনির। পশ্চিম সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, তালিবানকে পাকিস্তান অথবা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (TTP) মধ্যে কোনও একটি বেছে নিতে হবে। পাকিস্তানে অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসীদের মধ্যে আফগানরাও রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। সেই হামলার পালটা ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯ জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে নিখুঁত হামলা চালায় ভারত। অপারেশন সিঁদুরে খতম হয় পাকিস্তানের শতাধিক জঙ্গি। গুঁড়িয়ে যায় সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর। যার পালটা ভারতের সাধারণ নাগরিকদের নিশানা করে এলোপাথাড়ি হামলা চালায় পাকিস্তান। যা রুখে দেয় ভারতের অত্যাধুনিক আকাশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরে পাকিস্তানের অনুরোধে ভারত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এরপর থেকে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধজয়ের মিথ্যা ঢাক পেটাতে শুরু করে পাকিস্তান। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এআই ভিডিও হয়ে ওঠে পাকিস্তানের অস্ত্র। সেই মিথ্যে হাওয়া তোলার পর পাক সেনাকে চাঙ্গা রাখতে আল্লাহর প্রতি মানুষের বিশ্বাসকে অস্ত্র করল পাক সেনাপ্রধান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.