সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের দায়রা বিচারক হিসাবে দায়িত্বভার নিতে চলেছেন সুমন কুমারী। সুমন হলেন পাকিস্তানের প্রথম হিন্দু মহিলা যিনি দায়রা বিচারকের পদে বসতে চলেছেন। নিজের জেলায় কামবার শাহদাদ কোর্টেই নিযুক্ত হতে চলেছেন সুমন।
[মৎস্যখেকো শ্যাওলার জন্ম, অস্ট্রেলিয়ার জলাশয়ে মাছের মড়ক]
হায়দরাবাদ থেকে আইনে স্নাতক হন সুমন। করাচির সাজাবিস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর সুমন কামবার শাহদাদ কোর্টে গরিব মানুষকে বিনামূ্ল্যে আইনি কাজে সহায়তা করতেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা পবনকুমার বোদান। পবনকুমার জানান, তাঁর মেয়ে প্রথম থেকেই একটি ‘চ্যালেঞ্জিং প্রফেশনে’ যেতে চেয়েছিল। তিনি নিশ্চিত যে পরিশ্রম, অধ্যাবসায় ও সততার সাহায্যে সুমন তাঁর পেশায় সফল হবেন। সুমনের পরিবারের প্রায় সকলেই উচ্চশিক্ষিত। সুমনের বাবা পাকিস্তানের একজন নামজাদা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বড় বোন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সুমনের ছোট বোন পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টট্যান্ট। লতা মঙ্গেশকর ও আতিফ আসলামের অন্ধ ভক্ত এই তরুণী বিচারক। তবে হিন্দু সম্প্রদায় থেকে যে এই প্রথম কোনও ব্যক্তি পাকিস্তানের বিচারক হলেন তা নয়। হিন্দু সম্প্রদায় থেকে পাকিস্তানের প্রথম বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন রানা ভগবানদাস। ২০০৫ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত রানা সেদেশের অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের জনসংখ্যার ২ শতাংশ হিন্দু। হিন্দু ধর্ম সেদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম। গত বছরই মহেশকুমার মালানি নামে এক হিন্দু মহিলা প্রথম পাকিস্তানের জাতীয় আইনসভায় একটি সাধারণ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। একই সঙ্গে কৃষ্ণা কুমারী নামে অপর এক অ-মুসলিম মহিলা পাক সেনেটের সদস্যা হন। এই দুই হিন্দু মহিলাই পাকিস্তান পিপলস্ পার্টির টিকিটে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
[ভার্চুয়াল জগতে ‘ঠান্ডা লড়াই’ চিন-আমেরিকার, পিছিয়ে নেই ভারতও]