Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
Pakistan

‘রাজনীতি করতে চাইলে উর্দি ছাড়ুন’, মুনিরকে ‘চ্যালেঞ্জ’ পাকিস্তানের তালিবানপন্থী মৌলানার

ফজলুর বরাবরই পাক প্রশাসনে শরিয়া আইন প্রবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১২:৩৬

options
link
‘রাজনীতি করতে চাইলে উর্দি ছাড়ুন’, মুনিরকে ‘চ্যালেঞ্জ’ পাকিস্তানের তালিবানপন্থী মৌলানার zoom
পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলামের প্রধান ফজলুর এই মুহূর্তে হয়ে উঠেছেন অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন পাকিস্তানের তালিবানপন্থী মৌলানা ফজলুর রহমান। সেদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলামের প্রধান ফজলুর এই মুহূর্তে হয়ে উঠেছেন অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সেনা নিয়ন্ত্রিত পাক প্রশাসনের রাজনৈতিক আধিপত্যকেই তিনি চ্যালেঞ্জ করে বসেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি মাহমুদ। তাঁরই ছেলে ফজলুর। বলে রাখা ভালো, খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন মুফতি। ফজলুর বরাবরই পাক প্রশাসনে শরিয়া আইন প্রবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই আফগানিস্তানের তালিবানের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ। পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনার ‘নাক গলানো’র বরাবরই বিরোধী ফজলুর। জেনারেল জিয়া-উল-হকের সামরিক স্বৈরতন্ত্রের বিরোধিতার লক্ষ্যে গঠিত বহুদলীয় জোট ‘মুভমেন্ট ফর দ্য রেস্টোরেশন অফ ডেমোক্রেসি’ (এমআরডি)-র অংশ হিসেবে তিনি রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মুনিরের সঙ্গে ফজলুরের এমন সংঘাত এই প্রথম নয়। গত বছরের ডিসেম্বরে, টিটিটিপির মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালাতে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের যে কৌশল ইসলামাবাদ নিয়েছিল, তারও তীব্র নিন্দা করেছিলেন তিনি।

পরবর্তী সময়ে বারংবার সেনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এবার তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানালেন মুনিরকে। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”যদি রাজনীতি করতে হয়, উর্দিটা খুলে রেখে আসুন। নির্বাচনে অংশ নিন। তাহলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে উর্দির জন্য কত ভোট পেতে পারেন।”

মুনিরের সঙ্গে ফজলুরের এমন সংঘাত এই প্রথম নয়। গত বছরের ডিসেম্বরে, টিটিটিপির মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালাতে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের যে কৌশল ইসলামাবাদ নিয়েছিল, তারও তীব্র নিন্দা করেছিলেন তিনি। আসলে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আফগানিস্তানের তালিবানের সমর্থক। গত শতকের মাঝামাঝি সময় থেকেই তাঁর দল সরাসরি সমর্থন জানিয়ে আসছে তালিবানকে। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে আমেরিকার সামরিক অভিযানের সময় তৎকালীন পারভেজ মুশারফ সরকার সমর্থন জানিয়েছিল। এর বিরোধিতা করেন ফজলুর। পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলোতে মার্কিন-বিরোধী এবং তালিবানপন্থী সমাবেশের নেতৃত্বও দিতে দেখা যায় তাঁকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.