২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

কুলভূষণকে অসামরিক আদালতে আবেদনের সুযোগ, আইন বদলাচ্ছে পাকিস্তান

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: November 13, 2019 4:36 pm|    Updated: November 13, 2019 5:24 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মাথা নত করল পাকিস্তান। এবার সেনা আইনে সংশোধন এনে কুলভূষণ যাদবকে অসামরিক আদালতে আবেদন করার সুযোগ দেবে ইসলামাবাদ। বুধবার এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৭ সালে গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ভারতীয় নৌসেনার প্রাক্তন অফিসার কুলভূষণ যাদবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের সেনা আদালত। ওই দেশের বর্তমান আইন অনুযায়ী তাঁর আবেদন করার সুযোগ নেই। গত জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ) ভারতকে কনসুলার অ্যাকসেস দেয় এবং পাকিস্তানের কাছে কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে পুনর্বিবেচনা করার আবেদন জানায়। পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, পাকিস্তান আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের সঙ্গে সহযোগিতা করে সেনা আইনে পরিবর্তন করতে চলেছে। ফলে অসামরিক আদালত আবেদন করার সুযোগ পাবেন কুলভূষণ যাদব। এই মামলাটির বিচার সেনা আদালতে হয়েছে। এবং সেনা আইন অনুযায়ী এই ধরনের ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয় না।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের তিন মার্চ বালুচিস্তান থেকে চরবৃত্তির অভিযোগে কুলভূষণ যাদবকে গ্রেপ্তার করেছিল পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী। তারপর সেনা আদালতে তাঁর বিচার করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে আবেদন করে ভারত। গত জুলাই মাসে এই সংক্রান্ত ভোটে ১৫-১ ভোটে হেরে যায় পাকিস্তান। তবে স্বরূপ প্রকাশ করে কয়েকদিন আগেই কুলভূষণকে দ্বিতীয় কনসুলার অ্যাকসেস দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয় পাকিস্তান। প্রথম বৈঠকের পর পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার গৌরব আলুওয়ালিয়া জানিয়েছিলেন , কুলভূষণের উপর প্রচণ্ড মানসিক চাপ দিচ্ছে পাকিস্তান। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করতে বলছে। পাকিস্তানের চাপের ফলে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কুলভূষণ। তাদের শেখানো কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে সব মিলিয়ে পাক অসামরিক আদালতেও কুলভূষণ যে ন্যায় পাবেন, সেই বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের স্বরূপ জেনে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন ট্রাম্প, দাবি প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের]

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement