Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
fatah-2 missile

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা পাকিস্তানের, আটকাতে পারবে ভারতের ‘সুদর্শন’?

ফতেহ-র পর এবার দূরপাল্লার ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল পাকিস্তান। পাক সেনার দাবি এই ক্ষেপণাস্ত্র অধিক দূরত্বে নিখুঁত লক্ষ্যে হামলা চালাতে সক্ষম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ২০:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ২০:৪৯

options
link
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা পাকিস্তানের, আটকাতে পারবে ভারতের ‘সুদর্শন’? zoom

ফতেহ-র পর এবার দূরপাল্লার ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল পাকিস্তান। পাক সেনার দাবি এই ক্ষেপণাস্ত্র অধিক দূরত্বে নিখুঁত লক্ষ্যে হামলা চালাতে সক্ষম। মঙ্গলবার ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল পরীক্ষা করে পাক সেনার আর্মি রকেট ফোর্স। এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা অবশ্যই ভারতের মাথাব্যথার কারণ হতে চলেছে। অত্যাধুনিক এই ক্ষেপণাস্ত্র থামাতে পারবে কি ভারতের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদর্শন?

পাক সেনার দাবি অনুযায়ী, ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৪০০ কিলোমিটার। ফতেহ সিরিজের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ছিল ১৪০ কিলোমিটার। যদি পাক দাবি সত্য হয় তবে ফতেহ সিরিজের দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় চলে আসবে ভারতের বহু অঞ্চল। জানা যাচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের সার্কুলার প্রোবাবেল এরর (সিইপি) ১০ মিটারের কম। যার অর্থ, এটি লক্ষ্যবস্তুর ১০ মিটারের মধ্যে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাক সেনার দাবি অনুযায়ী, ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৪০০ কিলোমিটার। ফতেহ সিরিজের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ছিল ১৪০ কিলোমিটার।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের সবচেয়ে বিপজ্জনক বৈশিষ্ট্য হলো এর সমতল গতিপথ। প্রচলিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আকাশে অনেক উপর থেকে ছোটে, ফলে রাডারে সহজেই শনাক্ত করা যায়। কিন্তু, ফতেহ-২ তুলনামূলকভাবে মাটির কাছাকাছি এবং সরলরেখায় ছোটে, ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে রাডারে একে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এটি ভারী ট্রাকে স্থাপন করেও নিক্ষেপ করা যায়। পাকিস্তানের দাবি, সম্পূর্ণ স্বদেশী প্রযুক্তিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে তারা। যদিও শোনা যাচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা ছিল চিনের।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের মূল লক্ষ্য হল ভারতের এস-৪০০ অর্থাৎ ‘সুদর্শন’কে ফাঁকি দেওয়া। সেক্ষেত্রে তাদের কৌশল ‘স্যাচুরেশন অ্যাটাক’ অর্থাৎ একযোগে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এস-৪০০কে নিশানা করা। কিন্তু বাস্তব হল, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক ও দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা কৌশলগত ও প্রযুক্তিগতভাবে ফতেহ-২কে মাঝ-আকাশেই নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, ভারতের সুদর্শনের রাডার সিস্টেম একসঙ্গে ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করতে পারে এবং ৩৬টি ভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে। তাই, পাকিস্তান যদি ফতেহ-২-সহ একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, এস-৪০০-এর শক্তিশালী কম্পিউটার তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোকে শনাক্ত করে একযোগে ধ্বংস করে দেবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.