Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Covid-19 Death Count

WHO-এর কোভিড মৃত্যু তথ্যে বিস্তর গরমিল, ভারতের পর এবার দাবি পাকিস্তানেরও

তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় গরমিল, দাবি পাক মন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২২, ১০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২২, ১০:০৫

options
link
WHO-এর কোভিড মৃত্যু তথ্যে বিস্তর গরমিল, ভারতের পর এবার দাবি পাকিস্তানেরও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের পথেই হাঁটল পাকিস্তান (Pakistan)। কোভিডে মৃত্যু সংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্যে নিয়ে প্রশ্ন তুলল ইসলামাবাদ। তাদের দাবি, WHO-এর তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় গরমিল রয়েছে। ইতিপূর্বে একই অভিযোগ করেছিল নয়াদিল্লিও।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী, করোনা (Corona Virus) সংক্রমণ বা মৃত্যু সংক্রান্ত যে পরিসংখ্যান বিভিন্ন দেশ প্রকাশ করেছে তা ভুয়ো। তাদের দাবি, গত দু’বছরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অথবা অতিমারীর (Pandemic) প্রভাবে বিশ্বজুড়ে দেড় কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, আমেরিকা, ইউরোপের দেশগুলির দেওয়া তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু একাধিক দেশ তাদের এই দাবি খারিজ করেছে। এবার সেই তালিকায় জুড়ে গেল পাকিস্তানের নামও।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ব্রেন কুরে কুরে খাচ্ছে ভয়ংকর ‘জম্বি’ অ্যামিবা! ৯০ জনের মৃত্যু পাকিস্তানে]

ইসলামাবাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৫ লক্ষ মানুষ। আর মৃত্যু হয়েছিল ৩০ হাজার ৩৬৯ জনের। কিন্তু WHO বলছে, করোনা (COVID-19) আক্রান্ত হয়ে পাকিস্তানে মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৬০ হাজার জনের। এই তথ্য মানতে নারাজ সে দেশের প্রশাসন। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল কাদির প্যাটেল জানিয়েছেন, “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি। আমরা সশরীরে করোনায় মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহ করেছি। কয়েক শো মৃত্যুর তথ্য এদিক-ওদিক হতে পারে। কিন্তু এতটা পার্থক্য হতেই পারে না।”

পাকিস্তানের মন্ত্রীর আরও দাবি, হাসপাতাল, সমাধিস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে পাক সরকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় গরমিল রয়েছে বলেও দাবি পাক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। WHO-এর তথ্য প্রত্যাখ্যান করে লিখিতভাবে জানিয়েও দিয়েছে প্রতিবেশী দেশটি।

প্রসঙ্গত, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আগস্ট ২০২০-তে অর্থাৎ যে সময় সারা দেশে করোনার কারণে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল সেই সময় দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার। কিন্তু সেপ্টেম্বর থেকে মৃত্যুর হার বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়, গত বছর এপ্রিল, জুন মাসে তা গিয়ে দাঁড়ায় ২৭ লক্ষে। যদিও এই দাবি মানেনি ভারত।

[আরও পড়ুন: দুই মেয়ের পরে এবার ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার মুখে পুতিনের ‘প্রেমিকা’ এলিনা!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.