Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
RSS

পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চালানোর আর্জি আরএসএসের, সমর্থন জানাল ইসলামাবাদ

আরএসএস মহাসচিবের মন্তব্যকে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হিসেবে অভিহিত করেছে পাকিস্তান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ০০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ০০:১৬

options
link
পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চালানোর আর্জি আরএসএসের, সমর্থন জানাল ইসলামাবাদ zoom
আরএসএস-এর মহাসচিব দত্তাত্রেয় হোসাবলে।
Advertisement

আরএসএস-এর মহাসচিব দত্তাত্রেয় হোসাবলে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার দরজা বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয় ভারতের। তাঁর এই মন্তব্যকে সমর্থন করল পাকিস্তান। সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এমন মন্তব্যকে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গঠনমূলক আলোচনা ও কূটনীতিই হল মূল চাবিকাঠি।

ঠিক কী বলেছিলেন হোসাবলে? সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জাতীয় নিরাপত্তা ও আত্মমর্যাদা রক্ষার্থে পুলওয়ামার মতো উসকানিমূলক হামলার বিরুদ্ধে ভারতকে অবশ্যই কঠোর জবাব দিতে হবে। তবে একই সঙ্গে আলোচনার পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়েও তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ”পাকিস্তান যদি কাঁটার খোঁচা দিতে পুলওয়ামার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটানোর অপচেষ্টা চালায়, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী আমাদের তার উপযুক্ত জবাব দিতে হবে। কিন্তু সেই সঙ্গেই আলোচনার দরজা বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ওদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য আমাদের সর্বদা প্রস্তুত থাকা উচিত।”

Advertisement

উল্লেখ্য, মোদি সরকার সাম্প্রতিক সময়ে বারবার যেকথা বলেছে আরএসএস মহাসচিব কিন্তু সেই পথে হাঁটেননি। নয়াদিল্লি বারংবার রাষ্ট্রসংঘ-সহ বিশ্বের দরবারে জানিয়েছে, পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ না করে তাহলে তাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হতেই পারে না। গত বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি। অপারেশন সিঁদুরের পরে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন, ”সন্ত্রাস আর আলোচনা একসঙ্গে হতে পারে না।” বুধবার হোসাবলের এহেন মন্তব্যের প্রতিবাদ করার সময় সেকথা মনে করিয়ে দিয়েছে বিরোধীরা। একে রাষ্ট্রবিরোধিতাও বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরএসএসের মন্তব্যে তাদের সমর্থনের কথা জানাল পাকিস্তান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.