Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Balochistan

পাকিস্তানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল জিন্নার মূর্তি, ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বালোচ বিদ্রোহীদের

হামলার দায় স্বীকার করেছে 'বালোচ লিবারেশন ফ্রন্ট'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১, ১৫:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১, ১৫:৩৩

options
link
পাকিস্তানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল জিন্নার মূর্তি, ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বালোচ বিদ্রোহীদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বুকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল মহম্মদ আলি জিন্নার মূর্তি। রবিবার বালোচিস্তানের বন্দরশহর গদরে বিস্ফোরণে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় পাকিস্তানের জনকের একটি বিশাল স্ট্যাচু। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে বালোচ বিদ্রোহী সংগঠন ‘বালোচ লিবারেশন ফ্রন্ট’।

[আরও পড়ুন: দেড় দশকের একচ্ছত্র শাসনের অবসান, জার্মানির নির্বাচনে পরাজিত অ্যাঞ্জেলা মর্কেলের দল]

পাক সংবাদমাধ্যম ডন সূত্রে খবর, চলতি বছরের শুরুতে বালোচিস্তানের একটি ‘সুরক্ষিত’ এলাকায় জিন্নার মূর্তিটি স্থাপন করেছিল প্রশাসন। গতকাল রাতে সেটির নিচে বিস্ফোরক পুঁতে দেয় বালোচ বিদ্রোহীরা। প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কার্যত ধুলোয় মিশে যায় জিন্নার স্ট্যাচুটি। ইতিমধ্যে হামলার দায় স্বীকার করেছে ‘বালোচ লিবারেশন ফ্রন্ট’। বহুদিন ধরেই পাকিস্তানের দখলে থাকা বালোচিস্তানকে স্বাধীন করার চেষ্টা চালাচ্ছে সংগঠনটি। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। বিদ্রোহীদের খোঁজে অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। খোদ পাকিস্তানের বুকে জিন্নার মূর্তি ভাঙার ঘটনায় রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে ইসলামাবাদ।

Advertisement

স্বাধীন বালোচিস্তানের দাবিতে বহুদিন থেকে লড়াই চালাচ্ছে বিদ্রোহী সংগঠন ‘বালোচ লিবারেশন আর্মি’। নিরীহ বলোচদের উপর পালটা অমানুষিক অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিস্তানি ফৌজ। গত বছর তুরবাট শহরে এক মহিলা ও তাঁর চার বছরের শিশুকে গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তান সেনার মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তারপর থেকেই ক্ষোভের আগুন আর প্রবলভাবে জ্বলে উঠেছে বালোচিস্তানে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই হত্যার বিচার চেয়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন। সব মিলিয়ে ক্রমে জোরাল হচ্ছে স্বাধীনতার দাবি।

উল্লেখ্য, ২০১৫-য় মউ স্বাক্ষরের ভিত্তিতে চিন-পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর বা সিপিইসি নির্মাণকার্য শুরু হয়েছে৷ চিনের প্রস্তাবিত ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ নীতির উপর ভিত্তি করে, তাদের অর্থ সাহায্যেই এই করিডর তৈরি হচ্ছে। পাকিস্তানের গদর পোর্ট থেকে চিনের শিনজিং প্রদেশ পর্যন্ত মোট ২ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথটি তৈরি করা হচ্ছে।  এই করিডর নিয়ে প্রথম থেকেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছেন বালোচিস্তান-সহ গিলগিট-বালতিস্তান ও পিওকে-র নাগরিকরা। অভিযোগ, পেশিশক্তির জোরে তাঁদের বাসভূমি কেড়ে নিয়ে এই করিডর তৈরি করছে পাকিস্তান। যাতে পূর্ণ মদত দিচ্ছে চিন। এই অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই পাক প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালাচ্ছেন বালোচ নাগরিকরা এবং তাঁদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে পাক সেনা। 

[আরও পড়ুন: তালিবান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দিতে নারাজ রাশিয়া, অবস্থান স্পষ্ট করলেন রুশ বিদেশমন্ত্রী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.