Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে শেষমেশ ক্ষমা চাইলেন প্রিন্স ফিলিপ

ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১৩:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১৩:১৪

options
link
গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে শেষমেশ ক্ষমা চাইলেন প্রিন্স ফিলিপ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষপর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন ডিউক। গাড়ি দুর্ঘটনার এক সপ্তাহ পর জানালেন, যা হয়েছে, তার জন্য তিনি অনুতপ্ত। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ। রাজ মর্যাদায় যিনি কি না ডিউক অফ এডিনবরা। গত সপ্তাহে তাঁরই ল্যান্ড রোভারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনার শিকার হন এমা ফেয়ারওয়েদার নামের এক মহিলা। কবজি ভেঙে গুরুতর জখম হন তিনি। অথচ ৯৭ বছরের ডিউক, যিনি নিজে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলেও আহত হননি, তিনি অন্য গাড়ির যাত্রীদের খোঁজখবর না নিয়েই চলে যান ঘটনাস্থল ছেড়ে।

[ছবিতেই গল্প বলা, ক্যামেরায় কীর্তিমান ‘ক্রোকোডাইল হান্টার’এর উত্তরসূরি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দুর্ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করার বদলে ডিউকের এমন পালিয়ে যাওয়া নিয়েই ফেয়ারওয়েদার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে। বলেছিলেন, তাঁর মনে হয়েছে, তাঁকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে, গুরতর অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি তাঁর সেই ক্ষোভ মিটল। দুর্ঘটনার একসপ্তাহ পর ডিউকের চিঠি এসে পৌঁছাল ফেয়ারওয়েদারের কাছে। যাতে নিজের কাজের জন্য ফেয়ারওয়েদারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁর জখমের হাল-হদিশও জানতে চেয়েছেন তিনি। চিঠিটি প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের একটি সংবাদপত্র। তাতে ডিউক নিজের রাজমর্যাদার বদলে শুধু নিজের নামটুকুই স্বাক্ষর করেছেন। লিখেছেন, “আমি আপনাকে জানাতে চাই যে, দুর্ঘটনায় আমার যে ভূমিকা ছিল, তার জন্য আমি রীতিমতো দুঃখিত। আমি শুধু এটুকুই মনে করতে পারছি, আপানাদের গাড়িটি যে উল্টো দিক থেকে আসছে, তা দেখতে পাইনি আমি। আর এই ভুলের ফলে যা যা হয়েছে তার জন্য আমি অনুতপ্ত।”

গত বৃহস্পতিবার কুইনস ডিস্ট্রিক্টে দুর্ঘটনাটি ঘটে। একটি কিয়া হ্যাচব্যাক গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় প্রিন্স ফিলিপের ল্যান্ড রোভারের। যেটি তিনি নিজেই চালাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনায় ডিউকের গাড়িটি উলটে একপাশে হেলে গেলেও তাঁর কোনও আঘাত লাগেনি। কিন্তু, উলটোদিকের গাড়ি, যাতে একটি ন’মাসের শিশু ও দু’জন মহিলা ছিলেন, দুর্ঘটনায় তাঁরা জখম হন। গাড়ির পিছনের আসনে থাকা শিশুটির কিছু না হলেও হাতের কবজি ভেঙে যায় এক মহিলা যাত্রী এমা ফেয়ারওয়েদারের। জখম হন অন্যজনও। অথচ ডিউক অফ এডিনবরা তাঁদের খোঁজ খবর না নিয়েই ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। চিঠিতে তঁার ওই আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করে ডিউক জানিয়েছেন, “দুর্ঘটনার আকস্মিকতায় আমি বিহ্বল হয়ে পড়েছিলাম। তাই কী করা উচিত সে ব্যাপারে সেই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। ভিড় জমতে শুরু করলে স্থানীয় পুলিশ অফিসার আমাকে সান্দ্রিংহাম হাউসে চলে যেতে বলেন। আমি সেখানেই চলে গিয়েছিলাম। তবে দুর্ঘটনায় আপনাদের কারও যে গুরুতর আঘাত লাগেনি, তাতে আমি কিছুটা স্বস্তিবোধ করেছি। পরে আপনার হাত ভাঙার কথা জানতে পারি। এর জন্য আমি রীতিমতো দুঃখিত।”

ডিউকের এই ক্ষমা চাওয়ায় অবশ্য সব রাগ মিটে গিয়েছে এমা ফেয়ারওয়েদারের। তিনি জানিয়েছেন, প্রিন্স ফিলিপের চিঠিতে যে ব্যক্তিগত আবেগ প্রকাশ পেয়েছে, তাতে তিনি মুগ্ধ। উল্লেখ্য, ডিউক এডিনবরার গাড়ি দুর্ঘটনার বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো
বিতর্ক শুরু হয় নানা মহলে। কেউ কেউ আবার ৯৭ বছর বয়সী ডিউকের গাড়ি চালানো নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন।

[কাটল অচলাবস্থা, ৩৬ দিন পর খুলছে মার্কিন কোষাগার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.