BREAKING NEWS

২৩ শ্রাবণ  ১৪২৭  রবিবার ৯ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

নজরে ‘ড্রাগন’, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে জরুরি বৈঠক রাজনাথের

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: November 18, 2019 8:42 am|    Updated: November 18, 2019 8:42 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের সঙ্গে রবিবার ব্যাংককে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সন্ত্রাস দমন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, মহাসাগরীয় নজরদারি ব্যবস্থা, পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা-সহ একগুচ্ছ সামরিক ইস্যু নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকের পর রাজনাথ টুইট করেছেন, আজ ব্যাংককে মিস্টার এসপারের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আলোচনা ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। আরও কী কীভাবে ভারত-মর্কিন সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলিকে বাড়ানো যায় এবং তাতে দুই দেশই কীভাবে উপকৃত হতে পারে সে ব্যাপারেই আজ সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। রাজনাথের টুইটের পরই ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, নিরাপত্তা, অর্থ, সন্ত্রাস দমন, দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের উপর জোর দেওয়া নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে চলছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সংগঠন আসিয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠক। বৈঠকে যোগ দিতেই ব্যাংকক গিয়েছেন রাজনাথ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি দল। এদিন রাজনাথ সিং ও মার্ক এসপারকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান তাইল্যান্ডের প্রতরিক্ষামন্ত্রীএয়ার চিফ মার্শাল চিউচান রুদিত। তাঁরা দু’জনেই তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। এরপরই আসিয়ানের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেন রাজনাথ ও এসপার। এরপর রাজনাথের সঙ্গে আঞ্চলিক নানা ইস্যু নিয়ে কথা হবে মায়ানমার, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে। ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় নিরাপত্তা সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখা, আন্তর্জাতিক বিধি কার্যকর থাকা, সন্ত্রার দমন, অনুপ্রবেশ রোখা, সমুদ্রে ও স্থলসীমান্তে সেনাদের যৌথ টহলদারি বাড়ানো-সহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আসিয়ানের সম্মেলনে চর্চা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে সূত্রের খবর, দক্ষিণ চিন সাগরে চিনা আধিপত্য খর্ব করা এবং মুক্ত বাণিজ্য বজায় রাখা নিয়েই সবচেয়ে বেশি জোর দেবে অংশগ্রহণ করা দেশগুলি।

[আরও পড়ুন: স্বামীরা বন্দি, চিনা পুরুষদের শয্যাসঙ্গিনী হতে বাধ্য করা হচ্ছে মুসলিম মহিলাদের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement