Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সন্ত্রাস চালাতে কোন পথে টাকার জোগান জইশ-ই-মহম্মদের, মিলল উৎস

অর্থ জোগাড়ের জন্য একাধিক রাস্তা বেছে নিয়েছে সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১৬:২৭

options
link
সন্ত্রাস চালাতে কোন পথে টাকার জোগান জইশ-ই-মহম্মদের, মিলল উৎস zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খালি পেটে শিক্ষা হয় না, জেহাদও হয় না। তেমনই খালি হাতে বিশ্বত্রাস হওয়া যায় না। এত এত কিশোর, তরুণদের মগজধোলাইয়ের পর তাঁদের সংগঠনে রীতিমতো চাকরি দেওয়া, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালানোর জন্য নিখুঁত পরিকল্পনা, শত্রুপক্ষের খবরাখবর নেওয়ার জন্য নিয়োগ, প্রশিক্ষণ – হাজারও কাজকর্মের বিপুল খরচ আছে তো। জইশ, লস্করের মতো দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠনগুলোর কাছে এই অর্থ কোথা থেকে আসে? এনিয়ে প্রশ্ন ওঠায় সুলুকসন্ধান করে দেখা গেল, অর্থ জোগাড়ের জন্য একাধিক রাস্তা বেছে নিয়েছে সদস্যরা।

এই শর্তেই উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনকে ছাড়তে রাজি পাকিস্তান

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সমীক্ষা অনুযায়ী, আল রহমত ট্রাস্ট এবং আল রশিদ ট্রাস্ট নামে দুটি সংস্থা থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ পায় জইশ। এই দুটি সংস্থা আবার পাকিস্তানে ধর্মীয় কারণকে সামনে রেখে কাজ চালায়। তহবিলে জমা পড়া অর্থের সিংহভাগই যায় মাসুদ আজহারের সংগঠনের কাছে। আল রশিদ ট্রাস্ট মূলত আফগানিস্তানের। বিভিন্ন জেহাদি সংগঠনকে অর্থ সাহায্য করার জন্য এর কুখ্যাতি আছেই। নয়ের দশকে তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করার পর থেকে আল রশিদের বাড়বাড়ন্ত। এছাড়া আরও কয়েকটি রিপোর্ট বলছে, ইদানিং রিয়েল এস্টেট, পণ্য বাণিজ্য থেকে অর্থ আয়ের চেষ্টা করছে এই কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন। যদিও এসব ব্যবসায় সামনে থাকে আইএসআই এবং পাক সেনাবাহিনীর নাম। তবে তাদের আড়ালেই ভারত-বিদ্বেষী কাজে জইশের মতো সংগঠনকেই এগিয়ে দেওয়া হয় বলে উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে নিজেদের সদস্য বেছে নেয় জইশ-ই-মহম্মদ। এই মুহূর্তে সংগঠনে কম করে হাজারখানেক প্রশিক্ষিত সদস্য রয়েছে। আরও হাজার জনকে নিয়োগ করা হবে বলে সূত্রের খবর। নিয়োগের ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয় দক্ষিণ পাঞ্জাব অঞ্চলটিকে।

Advertisement

স্বদেশেও চাপ বাড়ছে ইমরানের, অভিনন্দনকে ফেরানোর দাবি ফাতিমা ভুট্টোর

বেলজিয়ামের এক আন্তর্জাতিক সংগঠনের সমীক্ষা বলছে, দক্ষিণ পাকিস্তানের রাজনপুর, সিন্ধের কাশমোর এবং বালুচিস্তানের ডেরা বুগতি – এই তিন এলাকার একটা নির্দিষ্ট অংশ পুরোপুরি জঙ্গিদের দখলে। সিন্ধু তীরবর্তী এলাকার ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা নিয়ে শুধু জইশ নয়, যাবতীয় সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম চালায় একাধিক জঙ্গি সংগঠন। এই জায়গাগুলিতে নিজেদের রাজত্ব তৈরি করে এখানকার বাসিন্দাদের থেকে কার্যত তোলা আদায়ের রাস্তা প্রশস্ত করেছে জঙ্গিরা। আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি-সহ একাধিক কারণই জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্তের জন্য দায়ী। তবে যেভাবেই অর্থ আসুক না কেন, বাজেয়াপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় তা ব্যাঙ্কে রাখে না জইশ। এসব অর্থ আগমনের রাস্তা বন্ধ করাও কঠিন প্রশাসনের কাছে। ফলে পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মাটিতে নিশ্চিন্তেই চলছে সন্ত্রাসী কাজকর্ম।   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.