Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
প্রীতি প্যাটেল ঋষি সুনক

কোয়ারেন্টাইনে প্রধানমন্ত্রী, কার্যত দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত চালাচ্ছেন ব্রিটেনের রাজপাট

নিয়তির পরিহাস, বলছে নেটদুনিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২০, ০৯:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২০, ০৯:০৮

options
link
কোয়ারেন্টাইনে প্রধানমন্ত্রী, কার্যত দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত চালাচ্ছেন ব্রিটেনের রাজপাট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ২০০ বছর ভারতবর্ষ শাসন করেছে ইংরেজরা। এবার সেই ইংরেজদের নাকি শাসন করছেন দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত। এমনটাই দাবি নেটিজেনদের। তাঁরা বলছেন, নিজেদের পাপের ফল ভোগ করছে ব্রিটিশরা। তাঁদের চলতে হচ্ছে তথাকথিত ‘নেটিভ ইন্ডিয়ান’দের অঙ্গুলিহেলনে। কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই দাবি? আসুন একটু খোলসা করে বলা যাক।

 

Advertisement

ব্রিটেনের শাসন ব্যবস্থার মূল দুটি স্তর। প্রথমটি নিয়ন্ত্রণ করেন জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা।এটির উপরই মুল দায়িত্বগুলি থাকে। দ্বিতীয় স্তরে আছে বাকিংহাম প্যালেস অর্থাৎ রাজপরিবারের সদস্যরা। এদের পদ সাম্মানিক। কিছু বিশেষ বিষয় ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকার নেয়। মুশকিল হল, করোনার জেরে সেই নির্বাচিত সরকারের দুই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং তাঁর এক মন্ত্রী কোয়ারেন্টাইনে। অন্যদিকে প্রিন্স অফ ওয়েলস প্রিন্স চার্লস এবং মহারানিও আইসোলেশনে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের শাসনের ভার কার্যত পুরোটাই এসে পড়েছে দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূতর উপর। একজন হলেন চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার (পড়ুন অর্থমন্ত্রী) ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। ৩৯ বছরের ওই যুবক আবার ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের চেয়ারম্যান এন আর নারায়ণমূর্তির জামাই। অপরজন স্বরাষ্ট্র সচিব প্রীতি প্যাটেল। প্রীতিই (Priti Patel) মুলত যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্বে। গুরুত্ব কম নয় ঋষিরও

[আরও পড়ুন: প্রিন্স চার্লসের পর এবার বরিস জনসন, করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী]

দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে ব্রিটেনের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা বনে যেতে দেখে ভারতীয়রা আপ্লুত। তাঁদের দাবি, নিজেদের কর্মের ফল পাচ্ছে ব্রিটেন। যে ভারতীয়দের একসময় শোষণ করত, এখন তাদেরই কথা অনুযায়ী চলতে হচ্ছে।কেউ আবার বলছেন, দেখ কেমন লাগে, নিজেদের দেওয়া ওষুধ চেখে দেখতে। নেটদুনিয়ায় ইংরেজদের নিয়ে রীতিমতো হাসাহাসি শুরু হয়েছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.