BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এবার ভারতেই করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে চায় রাশিয়া! বড় ঘোষণা মস্কোর

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 19, 2020 9:30 am|    Updated: August 19, 2020 11:37 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ভারতের মাটিতেই তৈরি হবে রাশিয়ার ভ্যাকসিন। ভারতকে নিজেদের ‘প্রোডাকশন পার্টনার’ হিসেবে চায় রাশিয়া। মঙ্গলবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা ঘোষণা করেছেন খোদ এই ভ্যাকসিন তৈরির মাস্টারমাইন্ড তথা রাশিয়ার প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ফান্ডের (RDIF) আধিকারিক কিরিল দিমিত্রেভ (Kirill Dmitriev)। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে মস্কো।

ক্রমবর্ধমান করোনা আতঙ্কের মধ্যে গোটা বিশ্ব চাতক পাখির মতো তাকিয়েছিল ভ্যাকসিনের দিকে। গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে প্রথম প্রতিষেধক বাজারে আনার দাবি করেছে রাশিয়া (Russia)। খোদ রাশিয়ার রাষ্ট্রনায়ক ভ্লাদিমির পুতিন সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করেছেন, তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উপযোগী এবং এর তেমন কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। সেই দাবি প্রশ্নাতীত না হলেও, এই ভ্যাকসিনের চাহিদা কিন্তু তুঙ্গে। রাশিয়ার দাবি, ইতিমধ্যেই বিশ্বের ২০টি দেশ এই ভ্যাকসিন কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে তাঁরা আগ্রহী ভারতকে নিয়ে। নিজেদের তৈরি ভ্যাকসিন স্পুটনিক ভি  (Sputnik V) এবার ভারতের মাটিতেই তৈরি করতে চায় রাশিয়া। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন কিরিল দিমিত্রেভ।

[আরও পড়ুন: আজ থেকেই ভারতে শুরু তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল! ভ্যাকসিন নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের]

রাশিয়ার ওই আধিকারিক বলছেন,”মস্কো ভারতে স্পুটনিক ভি তৈরি করতে চায়। ভারত, ভারতের ওষুধ উৎপাদনকারী সংস্থা থেকে শুরু করে ভারতীয় বিজ্ঞানী। সকলের সঙ্গে আমাদের দারুন সম্পর্ক। ওঁরা আমাদের প্রযুক্তিটা বোঝে।” দিমিত্রেভ বলছিলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) ভাষণ শুনেছি। তিনি ভারতে ভ্যাকসিন তৈরির জন্য প্রস্তত। ভারত ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিনের জন্য প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। প্রথম সারির বহু সংস্থা এবং উৎপাদন ক্ষমতা ভারতে এমনিতেই আছে। সেজন্যই মস্কো ভারতে স্পুটনিক ভি তৈরি করতে চায়।” রাশিয়ার ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, ভারত ছাড়াও সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো দেশের সঙ্গেও আজ করছেন তাঁরা। আসলে রাশিয়া চায়, প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিনটি তৈরি করতে। যাতে, সবার কাছে তা সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement