Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Biden

কূটনৈতিক মারপ্যাঁচে ইতি, অবশেষে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত বিডেনকে শুভেচ্ছা পুতিনের

বিডেনের জয়ে সিলমোহর দেয় ইলেক্টোরাল কলেজ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২০, ১৬:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২০, ১৬:২২

options
link
কূটনৈতিক মারপ্যাঁচে ইতি, অবশেষে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত বিডেনকে শুভেচ্ছা পুতিনের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেনকে শুভেচ্ছা জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। গত নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন শেষে জনতার রায় যে বিডেনের পক্ষে গিয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারচুপির অভিযোগ হাতিয়ার করে বিডেনকে স্বীকৃতি দেয়নি মস্কো।

[আরও পড়ুন: নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য রাজতন্ত্রের সমর্থনকারীদের সাহায্য করছেন ওলি, অভিযোগ নেপালি কংগ্রেসের]

মঙ্গলবার, ক্রেমলিনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জোসেফ বিডেনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নিজের বার্তায় পারস্পরিক বিশ্বাস ও পরস্পরের প্রতি সম্মান জানিয়ে রুশ-আমেরিকা সম্পর্ক দুই দেশ, জনতা ও গোটা বিশ্বের জন্য লাভজনক হবে বলে মন্তব্য করেন পুতিন। এই মর্মে বিডেনর সঙ্গে একযোগে কাজ করতে রাজি বলেও জানান তিনি। দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।”

Advertisement

উল্লেখ্য, বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেষ্টায় জল ঢেলে জো বিডেনের জয়ে সিলমোহর দিল ইলেক্টোরাল কলেজ। মার্কিন সময় মতে সোমবার আমেরিকার সবচেয়ে দূরের প্রদেশ হাওয়াই ইলেক্টোরাল ভোট দেওয়ার সঙ্গেই এই প্রক্রিয়া শেষ হয়। ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল ভোটের মধ্যে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী বিডেন পেয়েছেন ৩০৬টি ভোট। ট্রাম্পের ঝুলিতে এসেছে ২৩২টি ভোট। অর্থাৎ ২৭০টি ভোটের ম্যাজিক ফিগার থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে বিডেনের পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে বসা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ রয়েছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সেবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) পক্ষে মত ছিল ক্রেমলিনের বলেও অভিযোগ করেছিলেন অনেকে। মসনদে বসে শুরুর দিকে পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প। যদিও পরের দিকে ফের সংঘাতের পথেই হাঁটে আমেরিকা ও রাশিয়া। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, হোয়াইট হাউসে যেই বসুক না কেন, তা নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন নয় রাশিয়া। কারণ, আণবিক চুক্তি, মিসাইল ডিল এসব বিষয়ে রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাট কেউই খুব একটা নির্দিষ্ট পথে থেকে সরবে না।

[আরও পড়ুন: আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন বরিস জনসন, সাধারণতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.