Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
S Jaishankar

‘সন্ত্রাস বরদাস্ত নয়’, SCO বৈঠকে চিনের সামনেই পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের

সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও চরমপন্থাকে 'তিন দানব' বলে উল্লেখ করেন বিদেশমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৫, ১২:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৫, ১২:৪৯

options
link
‘সন্ত্রাস বরদাস্ত নয়’, SCO বৈঠকে চিনের সামনেই পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে চিনের সামনেই এবার পাকিস্তানকে তুলোধোনা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের। এসসিও বৈঠকে চিন, পাকিস্তান-সহ অন্যান্য বিদেশমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে নাম না করে পাকিস্তানকে একহাত নেন জয়শংকর। বলেন, ভারত সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না। ভারত নিজের মতো করে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে। সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও চরমপন্থাকে ‘তিন দানব’ বলে উল্লেখ করেন বিদেশমন্ত্রী।

মঙ্গলবার এসসিও বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বলেন, “সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও চরমপন্থা এই তিন দানবের মোকাবিলা করার লক্ষ্যেই এই সংগঠন তৈরি করা হয়েছিল।” পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, “এই তিনটি চ্যালেঞ্জ সর্বদা একসঙ্গেই আসে। জম্মু ও কাশ্মীরের পর্যটনমূলক অর্থনীতিকে দুর্বল করতে এবং ধর্মের ভিত্তিতে দেশে বিভাজন তৈরি করতে পরিকল্পিতভাবে ওই হামলা চালানো হয়েছিল।” এই সন্ত্রাসবাদী হামলার নিন্দা জানিয়েছিল রাষ্ট্রসংঘ ও এসসিও-এর সদস্যভুক্ত কিছু দেশ। তার জন্য ধন্যবাদ জানান জয়শংকর। পাশাপাশি বলেন, “ওই হামলার পর সন্ত্রাসবাদী ও তাদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি ওঠে। সেই অনুযায়ী ভারত পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা যা করেছি, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। এসসিও-র উচিৎ যে লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই সংগঠন তৈরি করা হয়েছিল তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা এবং সমস্ত চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া।”

Advertisement

বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সংঘাতের কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা এমন এক সময়ে এখানে একজোট হয়েছি যখন গোটা বিশ্ব এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। চারিদিকে বিশৃঙ্খল অবস্থা। গত কয়েক বছরে আমরা আরও বেশি সংঘাত, প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক চাপ প্রত্যক্ষ করেছি। অর্থনৈতিক অস্থিরতা স্পষ্টতই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থায় আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হল বিশ্ব শৃঙ্খলাকে স্থিতিশীল করা, সম্ভাবনার পথ খোঁজা এবং আমাদের সম্মিলিত স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে এমন সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.