Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগে স্যামসাং কর্তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ

দক্ষিণ কোরিয়ার মিডিয়া এই মামলাকে শতাব্দীর সবচেয়ে আলোচিত মামলা বলে উল্লেখ করছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৬:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৬:২৮

options
link
দুর্নীতির অভিযোগে স্যামসাং কর্তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেকায়দায় স্যামসাং। দুর্নীতির অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা স্যামসাং-এর উত্তরাধিকারী লি জে ইয়ংকে শুক্রবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘুষ দিয়ে বিশেষ সুবিধা আদায় করার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার আদালতে ইয়ংয়ের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোটিপতি লি-র শুনানি প্রত্যক্ষ করার জন্য আদালতের ৩০জনের আসনে ৪৫০টি দরখাস্ত জমা পড়ে। কারণ দেশের ইতিহাসে অর্বুদপতির লি-র বিচার ‘ট্রায়াল অফ সেঞ্চুরি’ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরাও। আদালত চত্বরে জারি রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। লি-র সমর্থক ও সমালোচকদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ এড়াতে আদালত চত্বরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

স্যামসাং ইলেকট্রনিক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান লি-র বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সরকারি কিছু সুবিধার বিনিময়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হের ঘনিষ্ঠ বন্ধু চোই সুন-সিলের অলাভজনক কোম্পানিকে ৩ কোটি ৬৩ লক্ষ ডলার (২৫০ কোটি টাকা) ঘুষ দিয়েছেন। স্যামসাং গ্রুপের প্রধান লি কুন-হির ছেলে লি জে-ইয়ং। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হের দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে আগেও বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। স্যামসাংয়ের অন্যতম একজন প্রধানকে গ্রেপ্তারের ঘটনা এবারই প্রথম। প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি বিশাল ধাক্কা।

Advertisement

অভিযোগ, ন্যাশনাল পেনশন সার্ভিস (এনপিএস) চুক্তিতে তৎকালীন প্রেসিডেন্টের সমর্থন পাওয়ার জন্য চোই সুন-সিল ও তাঁর মেয়েকে ৩১ লাখ ডলার ঘুষ দেয় স্যামসাং। জুলাইয়ে এক শুনানিতে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ জানায়, চোই সুন-সিলের মেয়ের জার্মানিতে পড়াশোনার জন্য এই অর্থ দেওয়া হয়। দেশের তৃতীয় ধনী ব্যক্তি লি ২০১৪ সালে তাঁর বাবা লি কুন হি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই উত্তরাধিকারী হিসাবে সংস্থার পুরো নিয়ন্ত্রণই নিজের হাতে নিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।


আদালত জানিয়েছে, লি-এর বিরুদ্ধে আর্থিক দুনীতির অভিযোগের যথেষ্ট সত্যতা মিলেছে। লি-এর আইনজীবীরা আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে সম্ভবত সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা সংস্থা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.