Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Saudi Arabia

১৪২ বছর বয়সে প্রয়াত সৌদির সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক! রেখে গেলেন ১৩৪ সন্তান-নাতি-পুতি

পরিবারের দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে তাঁর জন্ম উনবিংশ শতকে। এমন একটা সময়ে, যখন আজকের সৌদি আরবের জন্মই হয়নি। অর্থাৎ তিনি তাঁর দেশকে মরুপ্রদেশ থেকে আধুনিক এক দেশে পরিণত হতে দেখেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ২০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ২০:২৪

options
link
১৪২ বছর বয়সে প্রয়াত সৌদির সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক! রেখে গেলেন ১৩৪ সন্তান-নাতি-পুতি zoom

তিনি দেখেছেন দু’টি বিশ্বযুদ্ধ। চোখের সামনে বদলে যেতে দেখেছেন গোটা দুনিয়াটাই। প্রায় দেড়শো বছরে পৌঁছে প্রয়াত হলেন সৌদি আরবের সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক। তাঁর নাম শেখ নাসের বিন রাদ্দান আল রশিদ আল ওয়াদাইয়ের। রেখে গেলেন ১৩৪ জন সন্তান, নাতি-পুতি। বর্ষীয়ান মানুষটি দেখেছেন দু’টি বিশ্বযুদ্ধ। দেখেছেন আরও অনেক কিছুই, এক জীবনে যা দেখতে পাওয়া অবিশ্বাস্য।

জানা গিয়েছে, গত ১১ জানুয়ারি মারা গিয়েছেন সৌদি আরবের দাহরান আল এলাকায় জন্মগ্রহণ করা আল রশিদ। পরিবারের দাবি, তাঁর বয়স হয়েছিল ১৪২ বছর। যদি এই দাবি সত্যি হয়, তাহলে তাঁর জন্ম উনবিংশ শতকে। এমন একটা সময়ে, যখন আজকের সৌদি আরবের জন্মই হয়নি। অর্থাৎ তিনি তাঁর দেশকে মরুপ্রদেশ থেকে আধুনিক এক দেশে পরিণত হতে দেখেছেন। স্বাধীন দেশ হিসাবে সৌদির জন্ম হয়েছিল ১৯৩২ সালে। বহু সৌদি শাসকের শাসনকালেরও সাক্ষী ছিলেন মানুষটি।

Advertisement

১১০ বছর বয়সে শেষবার বিয়ে করেছিলেন শতায়ু মানুষটি। পরে তাঁর আরও একটি কন্যাসন্তানও হয়। যা খবরের শিরোনাম হয়েছিল সারা পৃথিবীর সংবাদমাধ্যমেই।

যাঁরা তাঁকে চিনতেন, সকলেই জানিয়েছেন আল রশিদের জীবনের ভরকেন্দ্রে ছিল ধর্ম ও পরিবার। সারা জীবনে চল্লিশ বারেরও বেশি তিনি হজযাত্রা করেছেন। গোটা জীবদ্দশায় যা অন্তত দু’বার থাকলেই বহু মানুষ মনে করেন জীবন কৃতার্থ হয়ে গিয়েছে। অনেকেরই মতে এতবার হজে যাওয়াটা স্রেফ সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যাবে না। এর নেপথ্যে রয়েছে, তাঁর তীব্র ধর্মবিশ্বাস। এমনকী বয়সকেও তোয়াক্কা করেননি ধর্মাচরণের সময়। এমন এক মানুষের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া। তাঁর শবযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন হাজার সাতেকের বেশি মানুষ। 

জানা গিয়েছে, ১১০ বছর বয়সে শেষবার বিয়ে করেছিলেন শতায়ু মানুষটি। পরে তাঁর আরও একটি কন্যাসন্তানও হয়। যা খবরের শিরোনাম হয়েছিল সারা পৃথিবীর সংবাদমাধ্যমেই। সব মিলিয়ে ১৩৪ জন সন্তান, নাতি-পুতি- বিরাট এক পরিবার রেখে চিরবিদায় নিলেন রশিদ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.