Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Nepal

জেল থেকে মুক্তি পেতে চলেছে ‘বিকিনি কিলার’ চার্লস শোভরাজ

জেলমুক্ত হতে চলেছে ‘দ্য সারপেন্ট’।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২২, ০৮:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২২, ০৮:৪৪

options
link
জেল থেকে মুক্তি পেতে চলেছে ‘বিকিনি কিলার’ চার্লস শোভরাজ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুক্তি পেতে চলেছে ‘বিকিনি কিলার’ চার্লস শোভরাজ। প্রায় ১৯ বছর পর তার আরজি মঞ্জুর করেছে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট। ফলে অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেতে চলেছে ওই কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার। কারাগার থেকে বেরনোর ১৫ দিনের মধ্যেই ফরাসি নাগরিক শোভরাজকে নেপাল ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

১৯৭৫ সালে কাঠমান্ডুতে উত্তর আমেরিকার দুই পর্যটককে খুনের মামলায় শোভরাজকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন জেলের সাজা দিয়েছিল নেপালের আদালত। ২০০৩-এ ফ্রান্স থেকে নেপালে ফিরতেই গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। তারপর থেকে প্রায় ১৯ বছর ধরে জেলে রয়েছে সে। দীর্ঘদিন বন্দি থাকার পর মুক্তির আবেদন করে শোভরাজ। বিবিসি সূত্রে খবর, বুধবার ৭৮ বছরের বিকিনি কিলারের মুক্তির আবেদনের শুনানি হয় নেপালের সুপ্রিম কোর্টে। বয়স, স্বাস্থ্য এবং জেলে ভাল ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে শোভরাজের আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। তবে মুক্তির ১৫ দিনের মধ্যেই ওই কুখ্যাত হত্যাকারীকে ফ্রান্সে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাত দশক পর বিচারের মুখোমুখি নাৎসি যুদ্ধাপরাধী, সাজা পেলেন ৯৭-এর বৃদ্ধা]

সাত ও আটের দশকের গোড়ায় থাইল্যান্ড-সহ বিভিন্ন দেশে মহিলা পর্যটকদের মাদক খাইয়ে খুনের অভিযোগ রয়েছে শোভরাজের বিরুদ্ধে। তাঁর অধিকাংশ শিকারের পরনেই নাকি থাকত বিকিনি। খুনের ধরন দেখে শোভরাজকে বলা হত ‘দ্য স্পিলিটিং কিলার’। হত্যাকাণ্ডের পরে সরীসৃপের মতো মসৃণ পথে পালানোর কায়দা তাকে নাম দিয়েছিল ‘দ্য সারপেন্ট’। থাইল্যান্ডে রীতিমতো ত্রাস হয়ে উঠে শোভরাজ।

উল্লেখ্য, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ সালের মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত শোভরাজের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ জন মহিলাকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ১৪ জনই থাইল্যান্ডে শোভরাজের শিকার হয়। দিল্লিতেও ৩ পর্যটককে বিষ খাওয়ানোর অপরাধে তিহাড় জেলেও দীর্ঘদিন ছিল সে। একাধিক ভাষায় পারদর্শী শোভরাজ তার সুদর্শন চেহারা এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বকে কাজে লাগাতো ‘শিকার’কে বাগে আনতে। একাধিক বার জেল থেকে পালানোর অভিযোগও উঠেছে শোভরাজের বিরুদ্ধে। ১৯৮৬ সালে এক সিপাহীকে মাদক খাইয়ে তিহাড় থেকেও পালিয়েছিল সে। কিন্তু কিছু দিন পরেই গোয়ার এক রেস্তরাঁ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯৯৭ সালে ভারত থেকে মুক্তি পেয়ে ফ্রান্সে গিয়েছিলেন শোভরাজ। এর পর নেপালে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

[আরও পড়ুন: আচমকা আমেরিকার পথে জেলেনস্কি, রুশ হামলার মাঝেই কেন ছাড়ছেন দেশ?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.