প্রতিবেশী ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান, জর্ডনে নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইরান। অন্যদিকে, ইরানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল এবং আমেরিকাও। দেশটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর এবং একটি মিসাইল লঞ্চার গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। এহেন পরিস্থিতিতে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ঘিরে চর্চা শুরু। ইজরায়েলি সেনাই সেই ভিডিও পোস্ট করেছে। দাবি, ইরানের এমআই-১৭ গুঁড়িয়ে দিচ্ছে তারা। কিন্তু সেই ভিডিও দেখে বহু নেটিজেনের দাবি, ওগুলো আসল হেলিকপ্টার নয়। কপ্টারের ছবি মাত্র।
৪ মার্চ শেয়ার করা ওই দুই ভিডিওয় ইনফ্রারেড ফুটেজ দেখা যাচ্ছে। ইরানের দু’টি ভিন্ন স্থানে কীভাবে ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে আইএফডি-র বোমা, সেটাই দেখা যাচ্ছে সেখানে। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, কীভাবে বহুতলগুলি ভেঙে পড়ছে বোমার আঘাতে। অন্য ভিডিওটি নিয়েও আলোচনা। সেখানে দেখা গিয়েছে, একটি হেলিকপ্টারের উপরে বোমা পড়ছে। ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে আশপাশ। কিন্তু বহু ইউজারের দাবি, যেভাবে ওই সাদা-কালো ভিডিওয় হেলিকপ্টারটিকে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে তা আসল হেলিকপ্টার নয়! কপ্টারের ছবি মাত্র।
আরও পড়ুন:
חיל האוויר ממשיך לפגוע ביכולות האוויריות של המשטר האיראני: סוכלו חיילים איראנים שהפעילו מערכות הגנה אווירית נגד מטוסי חיל האוויר pic.twitter.com/f6hg6FV5at
— צבא ההגנה לישראל (@idfonline) March 4, 2026
একটি মিসাইল লঞ্চার গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। এহেন পরিস্থিতিতে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ঘিরে চর্চা শুরু। ইজরায়েলি সেনাই সেই ভিডিও পোস্ট করেছে। দাবি, ইরানের এমআই-১৭ গুঁড়িয়ে দিচ্ছে তারা।
এক ইউজার লিখেছেন, ”কেন নিজেরাই এটা পোস্ট করছ? এটা সত্যিকারের চপার হলে পাখনাগুলো বিস্ফোরণের পরও একই রকম থাকতে পারত না। তোমরা একটা ছবিতে বোমা মেরেছে, আক্ষেপ করো!” আরেকজনের খোঁচা, ”ইজরায়েল শিশুতে ভর্তি স্কুলে বোমা মারতে ওস্তাদ। কিন্তু জমিতে থাকা চকে আঁকা কপ্টারেও ওরা বোমা মারছে।” যদিও আরও একটা মত বলছে, মোটেই ওটা ছবি নয়। সত্যিকারের কপ্টারকেই গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েলি সেনা।
এভাবেই ছবি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক অব্যাহত। মনে করা হচ্ছে, যদি সত্যিই ওটা ছবি হয়, তাহলে এই ধরনের ফাঁদে পা দিলে যে ইজরায়েলরই বিপুল ক্ষতি হবে তাতে সন্দেহ নেই। যেখানে একটি মিসাইল তৈরিতে খরচ পড়ে ৩০ লক্ষ ডলার, সেখানে একটা বড় ছবি নির্মাণে কয়েক ডলারের বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়। সেক্ষেত্রে এমন ‘ভুয়ো’ ফাঁদে সত্যিই বোমা ফেললে ইজরায়েলের যে বড়সড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়। তবে এখনও নিশ্চিত হয়নি, কাদের দাবি সত্যি। যদি বিতর্কের পরও ইজরায়েলি সেনা ভিডিওটি এক্স হ্যান্ডল থেকে ওড়ায়নি।