Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
UK

অভয়ার নামে অক্সফোর্ডে মমতার সভায় অসভ্যতা! নার্সের স্তন খামচে হাজতে সেই ‘বামপন্থী’ ডাক্তার

'সাদা পোশাকের আড়ালে যৌন শিকারী', মন্তব্য আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৬:২০

options
link
অভয়ার নামে অক্সফোর্ডে মমতার সভায় অসভ্যতা! নার্সের স্তন খামচে হাজতে সেই ‘বামপন্থী’ ডাক্তার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভয়া আন্দোলনের নামে অসভ্যতা। অক্সফোর্ডে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় ঢুকে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা। নারী সুরক্ষায় গলা ফাটিয়ে স্লোগান। সেই তথাকথিত বামপন্থী চিকিৎসক অমল বোসের জেল। অপরাধ, সার্জারি চলাকালীন নার্সের স্তন খামচে ধরা। এছাড়াও একাধিক যৌন হেনস্তার অভিযোগ। এবার আদালতে এই মুখোশধারীদের কুকীর্তি ফাঁস হল। আপাতত হাজতেই ঠাঁই খ্যাতনামা এই শল্য চিকিৎসকের। 

৫৫ বছরের ওই চিকিৎসককে যৌন কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ৬ বছরের সাজা শুনিয়েছে ব্রিটেনের আদালত। ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, মহিলা সহকর্মীদের যৌন হেনস্তা করার। ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বারবার জুনিয়র কর্মীদের নির্যাতন করেছিলেন তিনি। অবশেষে তাঁকে সাজা শোনাল আদালত। তাঁকে বর্ণনা করেছে ‘সাদা পোশাকের আড়ালে থাকা এক যৌন শিকারী’ হিসেবে।

Advertisement

অমল বোস তিনি ল্যাঙ্কাশায়ার ব্ল্যাকপুল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে হৃদরোগ চিকিৎসার বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। কিন্তু ২০২৩ সালে কর্মীদের লাগাতার অভিযোগের পর তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে পাঁচজনকে যৌন হেনস্তায় দোষী সাব্য তিনি। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতির সময় এক নার্সের স্তন খামচে ধরেছিলেন তিনি। আরেক মহিলার দাবি ছিল, কলম খুঁজতে গিয়ে তিনি তাঁর পকেটে হাত দেন ও স্তন খামচে ধরে ‘তাজা মাংস’ বলে বর্ণনা করেন। এমনই নানা অভিযোগ ওঠে পাঁচ সন্তানের বাবার বিরুদ্ধে।

প্রিস্টন ক্রাউন কোর্টে বিচারক ইয়ান আনসওয়ার্থ অমলকে বলেন যে, তিনি তাঁর ‘উচ্চ অবস্থান’ ব্যবহার করে সহকর্মীদের ‘টার্গেট’ করেছেন! এই বিশ্বাসেই এই কাজ করেছেন যে তিনি কোনওভাবেই অভিযুক্ত হবেন না। সেই সময়ই তাঁকে ‘সাদা পোশাকের আড়ালে থাকা এক যৌন শিকারী’ বলে বর্ণনা করে আদালত।

অভিযুক্ত চিকিৎসক একজন ‘নিবেদিতপ্রাণ, অত্যন্ত দক্ষ শল্য চিকিৎসক’ ছিলেন একথা স্বীকার করেও বিচারক জানান, এতে তাঁর অপরাধের গুরুত্ব কমে না। সেই সঙ্গে তিনি এও বলেন যে, অমলের মধ্যে কৃতকর্মের কোনও প্রকৃত অনুশোচনা দেখা যায়নি। এরপরই আদালত তাঁকে ৬ বছরের সাজা শোনায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.