BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রক্তস্নাত সিরিয়ার পাশে নেটিজেনরা, হোলি বয়কটের ডাক

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 28, 2018 1:54 pm|    Updated: September 17, 2019 2:08 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে রঙের উৎসব। লাল আবিরে প্রিয়জনদের রাঙিয়ে দিচ্ছেন অনেকেই। আবার অনেকের কাছেই এবার উৎসবের রং স্রেফ সাদা-কালো। রক্তস্নাত সিরিয়ার বিভীষিকায় মলিন আনন্দ। আবিরের রঙ যেন শিশুদের রক্ত। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বাতাস ভারী হয়ে আছে মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা শিশুদের আর্তনাদে। সেখানে রং বলতে শুধু ফসফরাসের চোখ ঝলসানো সাদা আলো ও আগুনে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া ধ্বংসস্তুপ।


সিরিয়ায় চলা নারকীয় হত্যালীলা দেখে এবার দোলের রং মাখতে নারাজ নেটিজেনরা। আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে উত্তাল হয়ে উঠেছে নেটদুনিয়া। এমনকি ‘হাত গুটিয়ে’ বসে থাকার জন্য প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে আমেরিকা ও রাষ্ট্রসংঘ। নেটিজেনদের মতে. হোলির রঙে মিশেছে নিরীহ শিশুদের রক্ত। অনেকেই বলছেন, হোলি রঙের উৎসব, তবে রঙের পরিবর্তে রক্তকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। অনেকেই আবার আন্তর্জাতিক মহলের নিস্পৃহতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তবে একদিকে যেমন আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হচ্ছে তেমনই উঠে আসছে একাধিক ‘কনস্পিরেসি থিওরি’। নেটিজেনদের একাংশেরই মত, সিরিয়ায় চলছে মহাশক্তিদের আধিপত্যের খেলা। গত সাত বছর থেকেই সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলছে। মৃত্যু হয়েছে হাজার হাজার শিশুর। তবে সম্প্রতি এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিকল্পিতভাবেই চলছে প্রচার। অভিযোগ, ভিয়েতনাম যুদ্ধের মতোই আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে ‘জনমত’ গড়ে তুলতে ‘প্রপাগান্ডা’কেই হাতিয়ার করছে আমেরিকা ও ন্যাটো। ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া মৃত শিশুদের অনেক ছবিই বহু পুরনো।

[বন্দুকের নলের সামনে সিরিয়ার শৈশব, ‘গৃহযুদ্ধ’ নিয়ে প্রশ্ন গোটা বিশ্বে]

উল্লেখ্য, সিরিয়ায় সরকারি বাহিনী ও এসডিএফ বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রবল যুদ্ধ চলছে। ফেব্রুয়ারি ১৮ থেকেই বিদ্রোহীদের উপর আসাদ বাহিনীর নারকীয় হামলা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগ করছে সরকারি বাহিনী। একাধিক হামলায় এখনও পর্যন্ত ১৫০ শিশু-সহ মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৫০০ নিরীহ মানুষের। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন আরও কয়েক হাজার।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement