Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Taliban

তালিবানও ‘আত্মনির্ভর’! আফগানিস্তানেই তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক সুপার কার! দেখুন ছবি

আন্তর্জাতিক আঙিনায় ‘পাত্তা’ পেতে মরিয়া তালিবান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৩, ২০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৩, ২০:২৮

options
link
তালিবানও ‘আত্মনির্ভর’! আফগানিস্তানেই তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক সুপার কার! দেখুন ছবি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তান (Afghanistan) দখল করেছিল তালিবান (Taliban)। তারপর থেকে আন্তর্জাতিক আঙিনায় ‘পাত্তা’ পেতে মরিয়া জেহাদিরা। তবু জোটেনি স্বীকৃতি। আসেনি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ। তবু আফগানিস্তানকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে তুলে ধরতে উন্মুখ জেহাদিরা। এবার তারা ঘোষণা করে দিল শিগগিরি ‘কাবুলিওয়ালার দেশে’ আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে প্রথম দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি গাড়ি! সুপার কার!

জানা গিয়েছে, এই গাড়ির নাম মাডা ৯। যার ঝকঝকে অত্যাধুনিক লুক দেখলে বিস্ময়ে হতবাক হতেই হয়। তবে এখনও বিষয়টি প্রাথমিক স্তরেই রয়েছে। কিন্তু তালিবানের দাবি, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সর্বসমক্ষে এসে পড়বে এই গাড়ি। কাতারে এক প্রদর্শনীতে তার আবরণ উন্মোচিত হবে।

Advertisement

এই গাড়ি অবশ্য গত ৫ বছর ধরেই রয়েছে চর্চায়। ‘এনটোপ’ নামের এক সংস্থার সঙ্গে আফগান সংস্থা ATVI (আফগানিস্তান টেকনিক্যাল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট) গাঁটছড়া বেঁধেছে। তারাই তৈরি করবে মাডা ৯। আপাতত এই গাড়িটির মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক আঙিনায় নিজেদের উন্নতির কথা সবাইকে জানাতে মরিয়া তালিবান।

Taliban Super Car

[আরও পড়ুন: হঠাৎ পিছিয়ে গেল রাহুল-আথিয়ার বিয়ে, প্রকাশ্যে আমন্ত্রিতদের তালিকাও]

এদিকে আফগানিস্তানের পাশে হাজির হয়েছে ‘বন্ধু’ চিনও। সেদেশের আমু দরিয়া অববাহিকায় তেল উত্তোলনের জন্য চিনের এক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে আফগানিস্তানের শাসক তালিবানের। এর ফলে কাবুলের অর্থনীতিতে টাটকা বাতাস খেলবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। তালিবান জানিয়েছে, প্রথম তিন বছরে ৫৪০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। সব মিলিয়ে ন্যূনতম ১ হাজার থেকে ২০ হাজার টন তেল নিষ্কাষণ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত আগস্টে আফগানিস্তান দখল করেছিল জেহাদিরা। নতুন করে সেদেশে শুরু হয়েছিল অন্ধকার যুগ। যদিও ক্ষমতা দখলের পরে তারা জানিয়েছিল, এটা তালিবান ২.০। গতবারের মতো দমন পীড়ন নয়, বরং সাধারণ আফগান বিশেষ করে নারীদের স্বাধীনতা রক্ষায় ব্রতী থাকবে তারা। কিন্তু তা যে স্রেফ ‘ফাঁকা বুলি’, সেটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল দ্রুতই। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই ধীরে ধীরে স্বমহিমায় ফিরেছে জেহাদিরা। বিভিন্ন অপরাধে হাত-পা কেটে ফেলা, শিরশ্ছেদের মতো শাস্তির পক্ষে সওয়াল করেছে জেহাদি নেতৃত্ব। ভরা স্টেডিয়ামে বেত মারা হয়েছে পরকীয়া থেকে চুরি নানা অভিযোগে অভিযুক্তদের। সেই সঙ্গে ধসে পড়েছে দেশটির অর্থনীতিও। এবার ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তালিবান।

[আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহে জাকির হোসেনকে তলব আয়কর দপ্তরের, ‘সব হিসাব দেব’, আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল বিধায়ক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.