BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ট্রাম্পের কনভয়ের পিছনে ছুটলেন অর্ধনগ্ন মহিলা, কিন্তু কেন?

Published by: Tanujit Das |    Posted: November 12, 2018 7:15 pm|    Updated: November 12, 2018 7:15 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘শান্তি নয়, হিংসা ছড়াচ্ছেন উনি’৷ এই অভিযোগে, প্যারিস সফরে গিয়ে অভিনব প্রতিবাদের মুখে পড়তে হল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে৷ স্লোগান দিতে দিতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের কনভয়ের পিছনে ছুটলেন এক মহিলা৷ বিক্ষোভ দেখালেন কয়েকশো জনতা৷ বিক্ষোভরত জনতাকে সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে৷ যদিও এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷

[মেক্সিকো সীমান্তে শরণার্থী রুখতে আরও কঠোর পদক্ষেপ ট্রাম্পের]

জানা গিয়েছে, ওই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ‘ফেমেন’ নামে একটি নারীবাদী সংগঠন৷ মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে প্যারিসের বেশ কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা৷ সেই সমাবেশে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তাঁদের তিন মহিলা সদস্য৷ রাস্তা দিয়ে ট্রাম্পের কনভয় যাওয়ার সময় তাঁদেরই একজন প্রকাশ্যে নগ্ন হয়ে ওই কনভয়ের পিছন পিছন দৌঁড়াতে থাকেন৷ তাঁর শরীরে লেখা ছিল ‘ফেক পিসমেকার’৷ এই ঘটনায় দুই মহিলাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷ কিন্তু এই ঘটনার প্রভাব পড়েছে সমগ্র প্যারিসজুড়েই৷ মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে পথে নেমেছেন অনেকেই৷ তাঁদের অভিযোগ, মুখে শান্তি বার্তা দিলেও আসলে ট্রাম্পই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি হিংসা ও অশান্তির সৃষ্টি করছেন৷

[দক্ষিণ চিন সাগর ইস্যুতে বেজিংকে আবারও হুঁশিয়ারি ওয়াশিংটনের]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একশো বছরের স্মরণসভায় যোগ দিতে প্যারিসে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশের প্রধানরা৷ ওই অনুষ্ঠানে আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছাড়াও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্যারিসে যান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো, ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নায়ডু প্রমুখ। ফ্রান্সের একটি সমাধিস্থলে গিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের প্রতি সম্মান জানানোর কথা ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাতিল হয়ে যায় তাঁদের সেই কর্মসূচি৷ এরপরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। নেটিজেনদের অভিযোগ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের অশ্রদ্ধা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement