সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২০-র মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম হিন্দু প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তুলসী গাবার্ড৷ তার আগে ধর্মের কারণে নিজের দেশেই ঘৃণার শিকার হলেন তুলসী। তিনি জানিয়েছেন, তাঁকে তো বটেই, ধর্মের দোহাই দিয়ে সমর্থকদেরও আক্রমণ করা হচ্ছে। তাঁর এবং সমর্থকদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে আমেরিকার একটি মহল ও বেশ কিছু সংবাদপত্র৷ তাঁকে ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদী’ বলে কটাক্ষ করছে তাঁরা। হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের ছবি৷ তাঁর বিয়েতে মোদির প্রেরিত বার্তাকে৷ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধবের আমেরিকায় যাওয়ার ঘটনাকে।
[হলুদ জ্যাকেটের পালটা, এবার প্যারিসের পথে নামল লাল রুমাল ]
এ মাসের শুরুতেই ‘দ্য ইন্টারসেপ্ট’ নামের একটি মার্কিন পত্রিকা তুলসীর সমালোচনা করে৷ সেখানে বলা হয়, “গাবার্ড এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি মেরুকরণে বিশ্বাসী। তিনি একদিকে দেশে প্রগতিশীল রাজনীতি করছেন, সামাজিক প্রগতির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ণের কথা বলছেন৷ পাশাপাশি, অন্যদেশের স্বৈরাচারী ও রক্ষণশীল মনোভাবাপন্ন শাসকদের সমর্থন যোগাচ্ছেন।” উদাহরণ হিসাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফতেহ শিশি, সিরিয়ার বাশার আল আশাদের কথা উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি। নিজের সমর্থনে তুলসী জানিয়েছেন, কেবল তিনি নন, মোদির সঙ্গে ছবি তুলেছেন, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা৷ বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তাঁর দল ডেমোক্র্যাটদের ২০১৬-র প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনও। এমনকী মার্কিন কংগ্রেসর অনেক সদস্য। তুলসীর প্রশ্ন করেছেন, কেন শুধু তাঁর সঙ্গে মোদির সাক্ষাতকেই এভাবে প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে? মার্কিন কংগ্রেসের একমাত্র হিন্দু সদস্য তুলসী গাবার্ড। কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষ, হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের এমপি তিনি।
[পাইলটের সুখটানের জন্য নেপাল বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৫১ যাত্রীর]
২০২০-র মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে অন্যতম পদপ্রার্থী তুলসী। তিনিই প্রথম হিন্দু, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়বেন। গত ১১ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট পদের জন্য তাঁর ক্যাম্পেনের ঘোষণা করেন তুলসী। এ প্রসঙ্গে তুলসী জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টিকে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখানো হচ্ছে৷ যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২০২০-র প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তাঁর প্রচারের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রচারে তাঁকে অর্থ সাহায্য করছেন বহু আমেরিকাবাসী, হিন্দু এবং ভারতীয়রা। তাঁর সেই সমর্থকদের আক্রমণ করায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ গাবার্ড৷ তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সমর্থকরা হিন্দু হোক বা মুসলিম, জাপানিজ হোক বা বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান কিংবা ইহুদি হতে পারেন৷ ধর্ম কখনওই কোনও সংবাদের বিষয় হতে পারে না।
সর্বশেষ খবর
-
ইংল্যান্ডকে বিশ্বজয়ী করেছিল ‘ভূতের গোল’! ব্রিটিশদের একমাত্র বিশ্বকাপ জয় ঘিরে আজও বিতর্ক
-
বাড়ির বাগানে সাপের উপদ্রব? এই ছোট্ট ভুলগুলি শুধরে নিলেই সমস্যার সমাধান!
-
সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়েই মহামেডানকে ঋণমুক্ত করার আশ্বাস হুমায়ুনের, বার্তা ‘রাজনীতি’ নিয়েও
-
আগামী সপ্তাহেই সংসদে ‘অপারেশন লোটাস’! মমতার নির্দেশে হঠাৎ দিল্লিতে অভিষেক
-
‘ওয়াকা ওয়াকা’র নস্ট্যালজিয়া উসকে ফিরছে শাকিরা ম্যাজিক, কোন গানে ‘ফিফা’র মঞ্চ মাতাবেন নোরা?