সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চোখে ছানির সমস্যায় ভুগছিলেন এক ব্রিটিশ মহিলা। তাঁর চোখে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। আর সেই অস্ত্রোপচারের আগে রুটিন ডাক্তারি পরীক্ষায় দেখা গেল, ওই ব্রিটিশ মহিলার চোখে আটকে রয়েছে ২৭টি কন্টাক্ট লেন্স! ঘটনায় রীতিমতো হতবাক চিকিৎসকরা। স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে অস্ত্রোপচার।
[পঞ্চাশ পেরিয়েও যা ইনি করলেন, অতি বড় ব্যায়ামবীরেরও চোখ কপালে উঠতে বাধ্য]
জানা গিয়েছে, প্রায় ৩৫ বছর ধরে এক বিশেষ ধরনের কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করছেন ওই ব্রিটিশ মহিলা। এক মাস, বড়জোর দু’মাস ব্যবহার করার পরই ওই লেন্সগুলি চোখ থেকে খুলে ফেলতে হয়। কিন্তু, তা করেননি ওই ব্রিটিশ মহিলা। তাঁর চোখেই লেন্সগুলি জমা হতে থাকে। পরে ছানির কারণে দেখতে সমস্যা হওয়ায় চিকিৎসকের কাছে যান তিনি। অস্ত্রোপচারের আগে রুটিন ডাক্তারি পরীক্ষায় বিষয়টি ধরা পড়ে। প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, ওই মহিলার চোখে ১৭টি কন্টাক্ট লেন্স আটকে আছে। পরে ভালো করে পরীক্ষা করার পর, ওই মহিলার চোখে আরও ১০টি কন্টাক্ট লেন্সের সন্ধান পান চিকিৎসকরা। ইংল্যান্ডের যে হাসপাতালে ওই মহিলার চোখে অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল, সেই হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা এইরকম ঘটনা আগে দেখিনি। ওই মহিলার চোখের ভিতরে প্রায় ১৭টি কন্টাক্ট লেন্স একসঙ্গে আটকে রয়েছে। অথচ উনি কিছুই টের পাননি। এটা আমাদের অবাক করেছে। কারণ এক্ষেত্রে চোখে প্রচন্ড অস্বস্তি হওযার কথা।’
[নগ্ন ছবিতে আসক্ত স্বামী, শিক্ষা দিতে এই কাজটাই করলেন মহিলা]
তবে ওই মহিলার চোখে যে একেবারেই অস্বস্তি হত না, এমনটা নয়। ওই ব্রিটিশ মহিলা জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যে চোখে অস্বস্তি অনুভব করতেন তিনি। কিন্তু, বার্ধক্যজনিত কারণে এমন হচ্ছে ভেবে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। বস্তুত, অস্ত্রোপচারের আগে রুটিন ডাক্তারি পরীক্ষা সময়েও চিকিৎসকদের চোখে অস্বস্তির বিষয়ে কিছু জানাননি। এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, বিষয়টি জানার রীতিমতো হতবাক হয়ে যান ওই মহিলা।
সর্বশেষ খবর
-
টিকিটাকায় ধরাশায়ী অস্ট্রিয়া, দুর্বার গতিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন
-
মিড ডে মিলের মাংস দিয়ে স্যারের বিবাহ বার্ষিকীর ভোজ! শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল শোরগোল
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের