Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬
Russia oil

রুশ তেলে মার্কিন ছাড়পত্রে চটে লাল জেলেনস্কি, ট্রাম্পকে তোপ জার্মানির

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, "গত চার বছরে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে কিছুটা চাপে পড়েছিল রুশ। আমেরিকা সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাশিয়া আর্থিক ভাবে শুধু শক্তিশালী হবে না আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৮:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৮:৪৮

options
link
রুশ তেলে মার্কিন ছাড়পত্রে চটে লাল জেলেনস্কি, ট্রাম্পকে তোপ জার্মানির zoom
মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে জেলেনস্কি। ফাইল ছবি
Advertisement

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে ভয়ংকর জ্বালানি তেলের সংকট কাটাতে রুশ তেলে (Russia oil ) ছাড়পত্র দিয়েছে আমেরিকা। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে যারপরনাই ক্ষুব্ধ ইউক্রেন-সহ ইউরোপের দেশগুলি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানালেন, এই পদক্ষেপ একেবারেই সঠিক নয়। এর জেরে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে বাড়তি সুবিধা পাবে রাশিয়া। রুশ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ট্রাম্পকে তোপ দেগেছে জার্মানিও।

বর্তমানে প্যারিসে রয়েছেন জেলেনস্কি। সেখানেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “গত চার বছরে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে কিছুটা চাপে পড়েছিল রুশ। আমেরিকা সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাশিয়া আর্থিক ভাবে শুধু শক্তিশালী হবে না আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। এই ছাড়ের জেরে রাশিয়া যুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য আরও ১০ বিলিয়ন ডলার পাবে তেল বিক্রি করে। যা কোনওভাবেই শান্তির জন্য সহায়ক নয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

“রাশিয়া তেল ও গ্যাস বিক্রি করে পাওয়া অর্থ যুদ্ধাস্ত্রে খরচ করে। আর সেই অস্ত্র আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। ফলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জেরে আমাদের উপর ড্রোন হামলার সম্ভাবনা আরও বাড়বে। আমার মতে এই সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক নয়।”

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “রাশিয়া তেল ও গ্যাস বিক্রি করে পাওয়া অর্থ যুদ্ধাস্ত্রে খরচ করে। আর সেই অস্ত্র আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। ফলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জেরে আমাদের উপর ড্রোন হামলার সম্ভাবনা আরও বাড়বে। আমার মতে এই সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক নয়।” মার্কিন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মের্জ। তিনি বলেন, “জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত ৬টি দেশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। আমরাও এর বিরোধিতা করছি। আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী ভুল বার্তা দেবে।” পাশাপাশি জ্বালানি তেলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সমস্যার কারণ, সরবরাহ সমস্যা নয়। ফলে কেন আমেরিকা এই সিদ্ধান্ত নিল তা বোঝা কঠিন।” যদিও ফ্রান্সের দাবি, এই সিদ্ধান্তে রাশিয়া খুব বেশি লাভবান হবে না। কারণ এই ছাড় অস্থায়ী ও সীমিত।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার ফলে বিশ্বের বাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। এক ব্যারেল তেলের দাম পৌঁছে গিয়েছে ১০০ ডলারের উপরে। এহেন পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বেই বাড়ছে জ্বালানি সংকট। এই অবস্থায় মার্কিন রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে শক্তি সম্পদের জোগান যাতে অব্যাহত থাকে, তেলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেকারণেই সাময়িক ভাবে সমস্ত দেশকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী ৩০ দিন সমুদ্রে থাকা রুশ তেল কিনতে পারবে সব দেশই। তার জন্য আমেরিকার কোপে পড়তে হবে না। তবে এই পদক্ষেপকে মোটেই ভালো চোখে দেখছে না ইউরোপ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.