Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
S Jaishankar LAC

‘এককভাবে স্থিতাবস্থা বদলাতে চাইলে বরদাস্ত নয়’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি জয়শংকরের

বর্তমান পরিস্থিতি কোনও দেশের পক্ষেই ভাল নয়, মেনে নিয়েছে ভারত ও চিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২১, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২১, ২১:১৩

options
link
‘এককভাবে স্থিতাবস্থা বদলাতে চাইলে বরদাস্ত নয়’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি জয়শংকরের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখ সীমান্তে একপেশেভাবে স্থিতাবস্থা বদলাতে চাইলে ভারত তা মেনে নেবে না। চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-কে সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishankar)। বুধবার তাজিকিস্তানে ‘সাংহাই কো অপারেশন অর্গানাইজেশন’-এর সদস্য দেশগুলির বৈঠকের ফাঁকে চিনা বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জয়শংকর (Jaishankar)। চিনা বিদেশমন্ত্রীকে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সীমান্তে এখন যে পরিস্থিতি রয়েছে, তা বেশিদিন বজায় থাকাটা দু’দেশের সম্পর্কের জন্য মোটেই ভাল লক্ষণ নয়। এর ফলে স্পষ্টতই দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে।

‘সাংহাই কো অপারেশন অর্গানাইজেশন’-এর সদস্য দেশগুলির বৈঠকের ফাঁকে এদিন প্রায় ঘণ্টাখানেক ওয়াং ই’র (Wang Yi) সঙ্গে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি জানিয়ে দেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে আর যা যা সমস্যা আছে, তা দু’পক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে যত দ্রুত মিটিয়ে নেবে, ততই দু’পক্ষের জন্য মঙ্গল। তবে, সেই আলোচনা অবশ্যই হতে হবে দু’দেশের মধ্যেকার সমস্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মেনে। সূত্রের খবর, দুই মন্ত্রীই স্বীকার করে নিয়েছেন, দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠকে যা যা সমস্যা মিটিয়ে নিয়ে দুই দেশের পক্ষে গ্রহণযোগ্য এমন কোনও সমাধান সূত্র বের করা প্রয়োজন। তবে, চিন (China) যদি একপেশেভাবে স্থিতাবস্থা বদলাতে চায়, তাহলে ভারত তা মেনে নেবে না।

[আরও পড়ুন: জল্পনার অবসান, রাজ্যসভায় BJP’র দলনেতা হলেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল]

উল্লেখ্য, লাদাখে (Ladakh) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ও বিতর্কিত এলাকাগুলি থেকে সেনা সরাতে এর আগে কমান্ডার স্তরের বেশ কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে দুই ফৌজের মধ্যে। গত বছর লাদাখে লালফৌজের অতর্কিতে হামলার পর থেকেই ওই সব অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ানো হয়েছে সতর্কতা। কেবল স্থলপথেই নয় আকাপথেও রয়েছে কড়া নজরদারি। রাফালে, মিগ-২৯ ও সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান নিয়মিত উত্তরাঞ্চলের ওই এলাকার সীমানায় আকাশপথে টহল দিচ্ছে। সবদিক থেকেই লালফৌজের পরবর্তী যে কোনও রকমের হামলার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.