Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিপাকে পাকিস্তান, হাফিজ সইদের রাজনৈতিক দলকে জঙ্গি তকমা আমেরিকার

কূটনৈতিক জয় দিল্লির!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯, ১৫:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯, ১৫:২৬

options
link
বিপাকে পাকিস্তান, হাফিজ সইদের রাজনৈতিক দলকে জঙ্গি তকমা আমেরিকার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা তথা ২৬/১১ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত হাফিজ সইদের রাজনৈতিক দল ‘মিল্লি মুসলিম লিগ’ (এমএমএল) কে বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের তালিকাভুক্ত করল আমেরিকা। হাফিজের তৈরি তেহরিক-ই-আজাদি-ই-কাশ্মীরি (টিএজেকে)-কেও জঙ্গি সংগঠনের তালিকায় রেখেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক।

[ইউটিউবের হেডকোয়ার্টার্সে মহিলা বন্দুকবাজের হামলা, ছড়াল আতঙ্ক]

Advertisement

এক বিবৃতিতে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র নাথান এ সালেস জানিয়েছেন, এমএমএল এবং টিএজেকে-উভয় সংগঠনই লস্কর-ই-তইবার শাখা সংগঠন হিসেবে তৈরি হয়েছে। লস্কর একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন। আমেরিকা কোনও দিনই এই জঙ্গি কাজকর্মকে সমর্থন করে না। এই সব দলের কোনও রাজনৈতিক মতবাদও থাকতে পারে না। টিএজেকে লস্করেরই একটি শাখা হিসেবে পরিচিত। পাকিস্তানে খোলাখুলি কাজকর্ম করে এরা। এদের উপর কড়া নজর রয়েছে আমেরিকার।

উল্লেখ্য প্রবল চাপের মুখে নতিস্বীকার করে চলতি বছরই জামাত-উদ-দাওয়াকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করে পাকিস্তান। তারপরই সংগঠনটির সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেওয়ায় মার্কিন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ লিস্টে রয়েছে লস্কর প্রধান সইদ। ২০০৪ সালেই জামাত-উদ-দাওয়াকে জঙ্গি সংগঠন বলে ঘোষণা করে ওয়াশিংটন। তার মাথার দাম ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ধার্য করে আমেরিকা।

[কমপিউটার, মোবাইলে এক নাগাড়ে তাকিয়ে চোখের সর্বনাশ করছেন]

বহুদিন ধরেই পাক রাজনীতির মূলস্রোতে প্রবেশ করতে চাইছে জেহাদি সংগঠন ‘জামাত-উদ-দাওয়া’(জেইউডি)। রাজনৈতিক দলের তকমা পেতে ‘জামাত-উদ-দাওয়া’ নাম বদলে হয়েছে ‘মিল্লি মুসলিম লিগ’। পানামা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কায় প্রধানমন্ত্রীর গদি হারিয়েছেন নওয়াজ শরিফ। ক্ষমতায় এসেছেন শাহিদ আব্বাসি। তবে সেনার প্রভাব ছাপিয়ে দেশ চালাতে ‘সিভিলিয়ান গভর্নমেন্ট’ কতটা সক্ষম তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। পাক আর্মি ও আইএসআইয়ের কল্যাণে ফের সামরিক শাসন যে চালু হবে না নিশ্চিত ভাবে একথা কেউ বলতে পারছে না।

এমনই পরিস্থিতিতে হাফিজ সইদের মতো জঙ্গিনেতাদের রাজনীতিতে প্রবেশ মানেই ভারতের জন্য অশনিসংকেত। পাক সেনা ও আইএসআইয়ের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে সইদের সঙ্গে। বিশেষজ্ঞদের মতে একবার পাক রাজনীতিতে জাঁকিয়ে বসতে পারলে গণতন্ত্রের প্রহসন নিয়ে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ আরও বাড়িয়ে তুলবে ওই জঙ্গি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.