ইরানে শীঘ্রই যৌথ সামরিক অভিযান চালাতে পারে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। এমনটাই দাবি করা হল একটি মার্কিন সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে।
গত বছরের শেষে ইরান জুড়ে বিক্ষোভের সময় থেকেই তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে টানাপড়েন চলছে। পরবর্তী ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আপত্তি তুলতে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনাও হয়। কিন্তু তা ফলপ্রসূ হয়নি। উলটে হুঁশিয়ারি, পালটা হুঁশিয়ারি অব্যাহত থেকেছে। পশ্চিম এশিয়ায় নৌবহরও মোতায়েন করেছে আমেরিকা। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। এই আবহে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাগজিয়স’ দাবি করে, আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথ ভাবে ইরানে বড়সড় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে। আশঙ্কা, এতে পশ্চিম এশিয়ার স্থিতাবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, ইরানের পারমাণবিক কার্যকলাপ নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি আমেরিকার। দাবি, গোপনে পরমাণু বোমা তৈরি করছে তেহরান। যদিও ইরান সেই দাবি মানতে চায় না। গত সপ্তাহে আমেরিকা এবং ইরানের কূটনীতিবিদেরা ওমানে আলোচনায় বসেছিলেন। তাতে সমাধানসূত্র বেরোয়নি। ইতিমধ্যে ইরানের কাছাকাছি পারস্য উপসাগরে রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন মোতায়েন করেছেন ট্রাম্প। বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি, দ্বিতীয় রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডকেও পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। ওই রণতরী এত দিন ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে মোতায়েন ছিল। একে ইরানের উপর চাপ বৃদ্ধির কৌশল হিসাবেই দেখছেন ভূরাজনীতিবিদেরা।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘‘জেরাল্ড শীঘ্রই পশ্চিম এশিয়ার জন্য রওনা দেবে। যদি আমাদের মধ্যে চুক্তি না-হয়, তবে ওই রণতরী দরকার হতে পারে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ইরানের সঙ্গে চুক্তি কঠিন হচ্ছে। কখনও কখনও ভয় দেখাতে হয়। তা হলেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যায়।’’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘স্রেফ ট্রেলার দেখেছেন’, টানা দ্বিতীয় দিন সংসদ অভিযানে ‘ককরোচ’, ফের উত্তপ্ত হবে রাজধানী?
-
শহিদ দিবসে কর্মীদের জন্য ডিম-ভাতের আয়োজন ঋত শিবিরের! থাকবেন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে
-
‘মূল্য চোকাতে হবে’, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন জওয়ানদের মৃত্যুতে ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের
-
সিকিমে ভয়াবহ ভূমিধসে অবরুদ্ধ নির্মীয়মাণ টানেল, উদ্ধার ১৬ শ্রমিক
-
ইউক্রেনের বন্দরে জাহাজে ভয়াবহ হামলা! মৃত ৪ ভারতীয়, কড়া নিন্দা নয়াদিল্লির