Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Russia Ukraine Crisis

Russia Ukraine Conflict: রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার ক্ষমতা খর্বের পথে আমেরিকা, বৈঠকে নিয়ম সংশোধন নিয়ে আলোচনা

যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে পুতিনকে ফোন চিনা প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২, ২০:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২, ২০:২৬

options
link
Russia Ukraine Conflict: রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার ক্ষমতা খর্বের পথে আমেরিকা, বৈঠকে নিয়ম সংশোধন নিয়ে আলোচনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে নয়, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাশিয়াকে ভাতে মারার কৌশল নিয়েছিল আমেরিকা (USA)। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে বাড়তি আর্থিক নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। আমেরিকায় থাকা রাশিয়ার (Russia) চারটি ব্যাংকের সম্পত্তি ফ্রিজ করে বাইডেন প্রশাসন। এবার আরও কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে আমেরিকা। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার ভেটো দানের ক্ষমতা ছাঁটার প্রস্তাব দিতে চলেছেন বাইডেন। শুক্রবার ভারতীয় সময়ে রাত দেড়টা নাগাদ এ নিয়ে জরুরি বৈঠক হবে বলে খবর। এদিকে, এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে শুক্রবার ফোন করেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। আলোচনার টেবিলেই সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পুতিনও তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন।

রাষ্ট্রসংঘের(UN) সদস্য হিসেবে ভেটো দেওয়ার অধিকার রয়েছে গুটিকয়েক দেশেরই। তার মধ্যে রয়েছে আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের মতো শক্তিধর দেশগুলির অধিকার রয়েছে। এখন পরস্পর শত্রুদেশ হিসেবে একে অপরের প্রস্তাব ভেটো (Veto) দিয়ে খারিজ করার প্রবণতা আমেরিকা-চিন-রাশিয়ার বরাবরের। এবার রাশিয়ার থেকে সেই ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা কেড়ে নিতে চাইছে আমেরিকা। রাষ্ট্রসংঘ শুক্রবার রাতে এই সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে বসবে। আমেরিকার তরফে এই প্রস্তাব দেওয়া হতে চলেছে, যা নজিরবিহীন। রাষ্ট্রসংঘের সংবিধানের ৪ নং ধারাটি প্রয়োজনে সংশোধন করা হবে। রাশিয়াকে চাপে ফেলতে এতটাই এগিয়ে গিয়েছে আমেরিকা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভেঙে পড়ল শেষ প্রতিরোধ! ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ঢুকল রুশ বাহিনী]

ইউক্রেনের রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধি সের্গেই কিসলিতসিয়া ওই ৪ নং ধারাটির কথা উল্লেখ করে বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দরজা খোলা সমস্ত শান্তিপ্রিয় দেশের জন্যই। রাষ্ট্রসংঘ দ্বারা গৃহীত সবরকম সিদ্ধান্ত মেনে চলতে সক্ষম তারা। কিন্তু এর মধ্যে রাশিয়াই এসব মানতে অক্ষম।” এতেই স্পষ্ট রাশিয়াকে নিয়ে ঠিক কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে আমেরিকা। এই যুদ্ধে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন পূর্বতন সোভিয়েত রাশিয়াকে ফেরানোর চেষ্টা করছেন বলে গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। ঠিক এই প্রসঙ্গ টেনেই কিসলিতসিয়ার রাশিয়ার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপে সায় দিয়েছে ইউক্রেন। এই বিষয়ে তারা ভারতকেও পাশে চেয়েছে। 

[আরও পড়ুন: যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনায় রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন দু’পক্ষই! কিন্তু কোন শর্তে?]

NATO গোষ্ঠীও চাপ বাড়াচ্ছে রাশিয়ার উপর। আকাশসীমা বন্ধ করেছে পোল্যান্ড। ইউক্রেনও দাবি জানিয়েছে, রুশ সীমান্তের কাছে হাজার সেনা তাদের পালটা অভিযানে প্রাণ হারিয়েছে। রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে পুরনো বন্ধু সিরিয়া (Syria)। তবে রাষ্ট্রসংঘে ভেটো দেওয়ার অধিকার যদি একবার হারায় রাশিয়া, তাহলে নিঃসন্দেহে পুতিনকে আরও বেশি আগ্রাসী করে তুলবে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.