Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কীভাবে খতম হল বাগদাদি, অপারেশনের ভিডিও প্রকাশ আমেরিকার

দেখুন ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১৬:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১৬:১০

options
link
কীভাবে খতম হল বাগদাদি, অপারেশনের ভিডিও প্রকাশ আমেরিকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কীভাবে খতম করা হয় জঙ্গি আবু বকর আল বাগদাদিকে। কোন কায়দায় অভিযান চালায় মার্কিন সেনা। হামলা শেষে কেমন চেহারা নেয় ইসলামিক স্টেট প্রধানের ডেরা। এই গোটা পর্বের ভিডিয়ো প্রকাশ করল পেন্টাগন।

বাগদাদি খতম হওয়ার ঘোষণার পরই আমেরিকা-সহ গোটা বিশ্বে উঠতে থাকে একাধিক প্রশ্ন। ফলে ঘটনার সত্যতা প্রকাশ করতে হামলার ভিডিও প্রকাশ করার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তরফ থেকে। ওই ভিডিও প্রকাশ করেন ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার কেনেথ ম্যাকেঞ্জি। সাংবাদিক বৈঠকে বাগদাদির ডেরায় অভিযানের ভিডিও দেখানোর পর তা সংবাদমাধ্যমের হাতে তুলে দেন তিনি। সাদাকালো ওই ভিডিয়োতে বাগদাদির ডেরায় অভিযানের সময়কার ছবি ধরা পড়েছে।

Advertisement

কোনও বিমান বা ড্রোন থেকে তোলা ভিডিওটিতে বাগদাদির উঁচু পাচিলে ঘেরা বাড়িটি দেখা যাচ্ছে। সেটির দিকে ধীরে ধীরে সন্তর্পণে এগিয়ে যাচ্ছে মার্কিন সেনা। ওই ডেরার আশেপাশে থাকা বেশ কিছু মানুষকেও দেখা যাচ্ছে। ভিতরেও দু’-একজনের গতিবিধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ম্যাকেঞ্জির দাবি, মার্কিন বিমান লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায়, উপর থেকে ওই বাড়িটির উপর একের পর এক বোমা আছড়ে পড়ছে। তার পরেই বাড়িটি পুরো কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। একটা সময় আগুন জ্বলতেও দেখা যাচ্ছে ওই বাড়িটিতে।

গত রবিবার মার্কিন প্রতিরক্ষা সূত্রে জানানো হয়, ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি সিরিয়ায় ইদলিব প্রদেশের বারিশা এলাকায় এক অভিযানে নিহত হয়। বেলা গড়াতে সে খবরে সিলমোহর দেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলার সময় বিস্ফোরণের জেরে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বাগদাদির দেহ। তবে ঘটনাস্থলে ডিএনএ মিলিয়ে আইএস নেতার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয় মার্কিন সেনা। এই অভিযানে কোনও মার্কিন সৈনিকের মৃত্যু হয়নি। অপারেশন শেষ করে এক ‘বন্ধু দেশের’ বন্দরে পৌঁছে যায় মার্কিন বাহিনী। এই অভিযানে মদত দেওয়ার জন্য রাশিয়া, ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

[আরও পড়ুন: মেধাবী ছাত্র-শিক্ষক-ফুটবলার বাগদাদিই বন্দুক হাতে তুলে হয়ে ওঠে আইএস প্রধান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.