Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

শত্রুদের বুকে কাঁপন ধরাতে শীঘ্রই আসছে ‘কালো পাখির পুত্র’

তবে কি শুরু যুদ্ধের প্রস্তুতি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৮, ১১:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৮, ১১:০৩

options
link
শত্রুদের বুকে কাঁপন ধরাতে শীঘ্রই আসছে ‘কালো পাখির পুত্র’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুরন্ত গতি। ঝড়কেও পেছনে ফেলে দেওয়ার ক্ষমতা। শত্রুপক্ষের যেকোনও মিসাইলকে হেলায় হারানোর দক্ষতা। দুশমনের বুকে আতঙ্ক জাগিয়ে শীঘ্রই আমেরিকার হাতে আসছে ‘কালো পাখির পুত্র’ বা ‘সন অফ ব্ল্যাকবার্ড’।

কী এই ‘সন অফ ব্ল্যাকবার্ড’?

Advertisement

এটি হচ্ছে শব্দের চেয়েও দ্রুতগামী একটি ‘স্পাই প্লেন’ বা নজরদারি বিমান। মার্কিন বিমান নির্মাণকারী সংস্থা বোয়িং এই বিমানটি বানাচ্ছে। শব্দের পাঁচ গুণ গতিতে ছুটবে এই বিমান। গতিবেগ হবে ঘন্টায় প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার। বহুদিন ধরেই বোয়িংয়ের এই অত্যাধুনিক বিমানটি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে চর্চার বিষয় । বিমানটির পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে এস আর-৭২। এটিই হবে বিশ্বের সব থেকে দ্রুতগামী বিমান। বর্তমানে এই রেকর্ড রয়েছে বোয়িংয়েরই বিমান ব্ল্যাকবার্ড এস আর-৭১-এর দখলে। ১৯৭৬ সালে সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বগে উড়ে রেকর্ড তৈরি করে এস আর-৭১। সোভিয়েত আমলের ওই বিমানের বিকল্প হিসেবে ‘সন অফ ব্ল্যাকবার্ড এস আর-৭২ তৈরি করছে বোয়িং। ২০২০ সালের মধ্যেই মার্কিন বাহিনীর হাতে চলে আসবে এই অত্যাধুনিক বিমান।

[মধুচন্দ্রিমা শেষ, এবার আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের]

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শত্রুর বায়ুসীমায় ঢুকে গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে সন অফ ব্ল্যাকবার্ড-এর জুড়ি মেলা ভার। বর্তমানে সবথেকে বেশি গতিসম্পন্ন যুদ্ধবিমানের গতি হচ্ছে ঘন্টায় ২,৮০০ কিলোমিটার। ফলে অত্যন্ত দ্রুত গতিসম্পন্ন হওয়ায় যুদ্ধবিমানগুলি এর নাগাল পাবে না। একইভাবে ধেয়ে আসা মিসাইলগুলিকেও পিছনে ফেলে দেবে বিমানটি। এতে থাকবে অত্যন্ত শক্তিশালী ক্যামেরা। শত্রুঘাঁটির গোপন ছবি ধরা পড়বে সেখানে। এছাড়াও পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম হবে বিমানটি। ফলে শত্রুর শিবিরে আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে দাঁড়াব ‘সন অফ ব্ল্যাকবার্ড’ বা এস আর-৭২।

বিশ্ব রাজনীতির দাবার ছকে এক সময়ের পরম বন্ধুই আজ শত্রু। তাই মার্কিন রাডারে রয়েছে চিনা সামরিক বাহিনীও। উল্কাবেগে আধুনিকীকরণ ও ক্ষমতা প্রসারে মেতেছে লালফৌজ। পিছিয়ে নেই রাশিয়াও। প্রেসিডেন্ট পুতিনের নেতৃত্বে সোভিয়েত আমলের গৌরব ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর মস্কো। রয়েছে কিমের হুমকিও। ফলে সংঘাত বাড়ছে মার্কিন স্বার্থের সঙ্গে। তাই প্রযুক্তি ও সামরিক ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকতে আরও আধুনিক অস্ত্র তৈরি করায় মন দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

[বেজে গেল যুদ্ধের দামামা, আমেরিকার পর ইজরায়েলি মিসাইলের নিশানায় সিরিয়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.