Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Gaza

গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব রাষ্ট্রসংঘে, ‘ভেটো’ প্রয়োগে আটকে দিল আমেরিকা, কেন?

কেন গাজায় যুদ্ধবিরতি চাইছে না আমেরিকা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৩, ০৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৩, ০৯:১০

options
link
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব রাষ্ট্রসংঘে, ‘ভেটো’ প্রয়োগে আটকে দিল আমেরিকা, কেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাজায় যুদ্ধবিরতি চেয়ে প্রস্তাব পেশ রাষ্ট্রসংঘে। তবে ভেটো প্রয়োগ করে সেই চেষ্টা বানচাল করে দিল আমেরিকা। ফলে দুমাস ধরে ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলা লড়াই থামার সম্ভাবনা জোরাল ধাক্কা খেল।

গাজা ভূখণ্ডে ইজরায়েলি অভিযান নিয়ে গোটা বিশ্ব উদ্বিগ্ন। এই সংঘাতে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১৭ হাজার প্যালেস্তিনীয়র। নিহতদের মধ্যে শিশু ও মহিলার সংখ্যাই বেশি। এই রক্তপাতে উদ্বিগ্ন আমেরিকা, ভারত, চিন-সহ গোটা দুনিয়া। এই প্রেক্ষাপটে রক্তপাত থামাতে উদ্যোগী হয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। কদাচিৎ ব্যবহৃত আর্টিকেল ৯৯ ব্যবহার করে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকেন তিনি। সেখানেই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পেশ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১৩টি। ভোটদানে বিরত থাকে ব্রিটেন। তবে ভেটো প্রয়োগ করে সেই চেষ্টা বানচাল করে দেয় পরিষদের স্থায়ী সদস্য আমেরিকা। বলে রাখা ভালো, আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও চিন নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাতারে বন্দি প্রাক্তন নৌসেনা কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি ভারতীয় দূতের, মোদি বৈঠকেই সুফল?]

ভেটো প্রয়োগের পক্ষে ওয়াশিংটনের যুক্তি, এই প্রস্তাবে যুদ্ধের ময়দানে পরিস্থিতি কিছুই পালটাবে না। বাস্তব থেকে যোজন দূরে এই প্রয়াস। এটা অর্থহীন। রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত আমেরিকার উপরাষ্ট্রদূত রবার্ট উড বলেন, “ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনে শান্তির পক্ষে বরাবর সওয়াল করে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে এক্ষুণি যু্দ্ধবিরতির পক্ষে নই আমরা। এহেন সংঘর্ষবিরতি পরবর্তী যুদ্ধের বীজ বোপন করবে। দীর্ঘমেয়াদে শান্তি স্থাপনের কোনও ইচ্ছা হামাসের নেই। দ্বি-রাষ্ট্র তত্ত্বেও তারা বিশ্বাসী নয়। যু্দ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিবৃদ্ধি করবে তারা।”

[আরও পড়ুন: তালিবান সরকারকে ‘কূটনৈতিক স্বীকৃতি’ চিনের, ভারতকে অশান্ত করার ছক?]

উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর হওয়া হামলার বদলা নিতে হামাসকে (Hamas) চিরতরে মুছে ফেলার পণ করেছে ইজরায়েল। জঙ্গিদের নিকেশ করতে গাজায় তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে ইজরায়েলি ফৌজ। ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে জঙ্গিদের একের পর এক ডেরা। উত্তর গাজাকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর এবার তেল আভিভের নজর পড়েছে দক্ষিণ গাজায়। সেখানেও হামলা চালানো হচ্ছে। ইহুদি দেশটির আক্রমণে ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ১৭ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.