Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সিরিয়া ছাড়তে শুরু করল মার্কিন সেনা, হারানো জমি ফিরে পেতে পারে আইএস

সেনাঘাঁটি থেকে সাঁজোয়া গড়ি ও যুদ্ধের ভারি সরঞ্জাম সরাতে শুরু করেছে মার্কিন সেনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০১৯, ১১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০১৯, ১১:২৭

options
link
সিরিয়া ছাড়তে শুরু করল মার্কিন সেনা, হারানো জমি ফিরে পেতে পারে আইএস zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে সিরিয়া থেকে ফিরতে শুরু করল মার্কিন সেনা। কুর্দ বিদ্রোহীদের উদ্বেগ বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হল সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া। এমনটাই জনিয়েছেন মার্কিন সেনার কর্নেল শন রায়ান। 

সিরিয়ায় আমেরিকার নেতৃত্বে ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে লড়াই করা আন্তর্জাতিক বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল শন রায়ান। তিনি জানিয়েছেন, সিরিয়া থেকে ফিরতে শুরু করেছে মার্কিন সেনা। যুক্তরাজ্য স্থিত মানবাধিকার সংগঠন ‘সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস’-এর দাবি, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে দেশে ফিরে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে মার্কিন সেনা।যদিও নিরাপত্তার ক্ষত্রে সৈনিকদের ফেরার সময় ও রাস্তা গোপন রাখা হয়েছে। 

Advertisement

সিএনএন সূত্রে খবর, বর্তমান সেনাঘাঁটি থেকে সাঁজোয়া গড়ি ও যুদ্ধের ভারি সরঞ্জাম সরাতে শুরু করেছে মার্কিন সেনা। এদিকে আমেরিকার এই পদক্ষেপে আশঙ্কায় রয়েছে ইজরায়েল ও প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা কুর্দ বিদ্রোহীরা। উদ্বিগ্ন ন্যাটো দেশগুলিও। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নেমেছেন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। গত রবিবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে জেরুজালেমে সাক্ষাৎ করেন বোল্টন। নেতানিয়াহুকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, সমস্ত দিক সুরক্ষিত করেই সেনা প্রত্যাহার করা হবে যাতে ফের ইসলামিক স্টেট ঘুরে দাঁড়াতে না পারে।

এদিকে, বোল্টন আশ্বস্ত করলেও সিরিয়ায় জটিল হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। মার্কিন হস্তক্ষেপে ইতি পড়তেই আগ্রাসী হয়েছে তুরস্ক। উত্তর সিরিয়ার কুর্দ মিলিশিয়া নিয়ন্ত্রিত এলাকায় জমায়েত শুরু করেছে তুরস্কের মদতপুষ্ট বিদ্রোহীরা। উত্তর সিরিয়ায় কুর্দ মিলিশিয়া ‘কুর্দিশ পিপলস প্রোটেকশন ফোর্সেস’-এর (YPG) নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকার পাশে যোদ্ধাদের মোতায়েন করছে তুরস্কপন্থী হামজা ডিভিশন। উল্লেখ্য, ইসলামিক স্টেট ও আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে YPG-র নেতৃত্বে আমেরিকার পাশে দাঁড়িয়েছে ‘সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস’ (SDF)। এদিকে YPG-কে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করেছে তুরস্ক। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের অভিযোগ, তুরস্কে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদত দিচ্ছে SDF। ‘কুর্দিস্তান’ গঠনে কুর্দ জঙ্গিদের হাতিয়ার দিচ্ছে তারা। ফলে ‘আঙ্কল স্যাম’ পাততাড়ি গোটালেই সিরিয়ায় কুর্দিশ বাহিনীর উপর হামলা চালাবে তুরস্কের সেনা।

উল্লেখ্য, ডিসেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, সন্ত্রাস জর্জরিত দেশটিতে পরাজয় হয়েছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের। তাই সে দেশে মোতায়েন মার্কিন সৈন্যদের ফেরত নিয়ে আসা হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে আমেরিকার প্রস্থানে সিরিয়ায় আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠবে রাশিয়া ও ইরান। আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠবেন সিরিয়ান প্রেসিডেন্ট বাশার-আল-আসাদ। মার্কিন সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইজরায়েলও। সীমান্তের কাছেই রুশ সেনার উপস্থিতিতে অশনি সংকেত দেখছে তেল আভিভ। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়েছেন, যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে রক্ষা করবে ইজরায়েল। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে সিরিয়া নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা।   

                   [নিশানায় মার্কিন রণতরী, ঘাতক ‘ডিএফ-২৬’ মোতায়েন করল চিন]                               

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.