সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি সন্তানের মা। তিনি একজনের স্ত্রী। দুজনের ক্ষেত্রে তাঁর দু’রকম ভূমিকা। আর তা কি একসঙ্গে পালন করা যায় না। অর্থাৎ, স্বামীর সঙ্গে সঙ্গম মুহূর্তে কি শিশুকে স্তন্যদান করা যায় না? এ প্রশ্নই তুলেছিলেন আমেরিকার ভিডিও ব্লগার তাশা মাইলে। তা নিয়ে উঠেছিল বিতর্কের ঝড়। এবার সে সবেরই জবাব দিলেন তিনি।
ভিডিও ব্লগার এই মহিলা তাঁর ইউ টিউব চ্যানেলে একাধিকবার এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছিলেন। যার পক্ষে পোস্ট করেছিলেন সন্তানকে স্তন্যদান করানোর ভিডিও। বহু উৎসাহী তা দেখেন। অনলাইনে তা বিতর্কের জন্ম দেয়। সত্যিই কি সঙ্গমের সময় স্তন্যদান উচিত? নাকি জনপ্রিয়তার খাতিরেই এ প্রশ্ন তুলেছেন ওই মহিলা? অনেকে আবার জানিয়েছিলেন, কত বয়সের সন্তানকে স্তন্যদান করা হচ্ছে সেটাও মাথায় রাখা উচিত। এরকমই নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল ওই ভিডিওগুলি। বেশ কয়েকবার সমালোচনার কাঁটায় নেটিজেনরা বিঁধেছিলেন তাঁকে।
সে সবেরই জবাব দিলেন ওই মহিলা। জানালেন, সঙ্গম যেমন সুন্দর। তেমনই শিশুকে মায়ের স্তন্যদানও স্বর্গীয় অনুভূতি। এরকমই সমন্বয়ের কথাই জানিয়েছিলেন তিনি। সমালোচনার মুখে জানান, আসলে তাঁর সন্তান তাঁকে ছাড়তেই চায় না। যে সময় তাঁরা সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন, সে সময় বাচ্চাটি ঘুমোচ্ছিল। কিন্তু জেগে উঠলে স্তন্যদান ছাড়া আর কোনও গতি ছিল না।
অন্য একটি ভিডিওয় তিনি জানিয়েছিলেন, তার বাচ্চা স্তনে চিবুক দিয়ে আঘাত করেছে, যা বেশ যন্ত্রণাদায়ক। তা নিয়েও সমালোচনা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, সন্তানকে কত বছর বয়স পর্যন্ত স্তন্যদান করবেন তা যে কোনও মহিলা নিজেই ঠিক করে নেবেন।তা নিয়ে ফলাও করে বলার কিছু নেই বলেই অনেকের মত ছিল। তবে নিন্দের জবাব হিসেবে প্রত্যেককে তাঁর নিজের কাজেই মন দিতে বলেছেন এই মহিলা। তবে যে কোনও ভূমিকাতেই যে তিনি মায়ের ধর্ম থেকে বিচ্যুত হননি, এ কারণে নেটদুনিয়ায় দেদার প্রশংসাও কুড়িয়েছেন ওই মহিলা।
সর্বশেষ খবর
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের
-
অ্যাসিড হামলায় কড়া আইনের দাবি, সরব মহিলাদের ক্ষমতায়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
-
নীতি আয়োগের বৈঠককে সামনে রেখে বাংলার শিক্ষা খাতে বড়সড় রূপরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু