Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
USA JP Morgan

লিঙ্গবর্ধক ওষুধ খাইয়ে যৌনদাসে পরিণত করেছেন মার্কিন মহিলা বস! বিস্ফোরক ভারতীয় যুবক

রীতিমতো যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ওই ব্যক্তি। নানাভাবে যৌনতায় লিপ্ত করাতেন জোর করে। এসব না করলে মাইনে বাড়বে না বলে হুমকি দিতেন বস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৬, ১৩:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৬, ১৩:৪২

options
link
লিঙ্গবর্ধক ওষুধ খাইয়ে যৌনদাসে পরিণত করেছেন মার্কিন মহিলা বস! বিস্ফোরক ভারতীয় যুবক zoom
জেপি মর্গ্যানের উচ্চপদস্থ কর্ত্রী লরনা হাজদিনি। ফাইল ছবি।

জোর করে যৌন উত্তেজনা বর্ধক ওষুধ খাইয়ে অধস্তন কর্মীকে যৌন দাসে পরিণত করেছেন! বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল এক মহিলা আধিকারিকের বিরুদ্ধে। যৌন হেনস্তার বিস্ফোরক অভিযোগে বিদ্ধ আমেরিকার বিখ্যাত সংস্থা জেপি মর্গ্যান। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এক প্রাক্তন কর্মী অভিযোগ এনেছেন জেপি মর্গ্যানের উচ্চপদস্থ কর্ত্রী লরনা হাজদিনির বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে মার্কিন মুলুকে তোলপাড় এই অভিযোগ ঘিরে।

দিনকয়েক আগে অভিযোগ দায়ের করেন ওই ব্যক্তি। তাঁর দাবি, জেপি মর্গ্যানে তিনি যখন কর্মরত ছিলেন তখন রীতিমতো যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। লরনার অধীনে কর্মরত ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেসময়ে বিভিন্ন যৌন উত্তেজনা বর্ধক ওষুধ খেতে তাঁকে বাধ্য করতেন লরনা। ওষুধ খাইয়ে নানাভাবে যৌনতায় লিপ্ত করাতেন জোর করে। লরনা সাফ জানিয়েছিলেন, এসব না করলে মাইনে বাড়বে না। ২০২৪ থেকে লাগাতার এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ আনেন জেপি মর্গ্যানের ওই প্রাক্তন কর্মী। একবছর পরে সংস্থা কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। এবার আইনিভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী ব্যক্তি দক্ষিণ এশিয়ার বাসিন্দা, সম্ভবত ভারতীয় বা নেপালি। জেপি মর্গ্যানের তরফ থেকে দাবি করা, সংস্থার অভ্যন্তরীণ তদন্তে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। আইনি অভিযোগ দায়ের হলেও সেখানে বেশ কিছু ফাঁকফোকর রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। বলা হয়েছে, অভিযোগকারীর মাইনে বাড়ানোর অধিকার লরনার ছিল না। কর্মক্ষেত্রেও দু’জনের কাজের সেরকম সংযোগ ছিল না।

প্রসঙ্গত, ১৫ বছর ধরে জেপি মর্গ্যানে কাজ করছেন লরনা। ২০১১ সালে ডেটা অ্যানালিস্ট হিসাবে সংস্থায় যোগদান করেন তিনি। দশ বছর পরে তিনি পৌঁছন সংস্থার এক্সিকিউটিভ পদে। হার্ভার্ডের মতো ঐতিহ্যশালী প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনাও করেছেন তিনি। কর্মক্ষেত্রে সেভাবে বিতর্কের মধ্যে পড়েননি লরনা। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ ওঠার পর আপাতত নিজের সোশাল মিডিয়া মুছে ফেলেছেন। কোনও প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.