Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Greenland

কাজ হল না ট্রাম্পের শুল্ক হুঁশিয়ারিতে, ‘গ্রিনল্যান্ড-ডেনমার্কের পাশে আছি’, জানাল ইউরোপের দেশগুলি

গতকাল ডেনমার্ক ছাড়াও নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ডের পণ্যের উপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই শুল্ক নিয়ম লাগু হবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ২০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ২০:২৮

options
link
কাজ হল না ট্রাম্পের শুল্ক হুঁশিয়ারিতে, ‘গ্রিনল্যান্ড-ডেনমার্কের পাশে আছি’, জানাল ইউরোপের দেশগুলি zoom

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিরুদ্ধাচারণ করায় গতকালই ডেনমার্ক-সহ আট দেশকে ১০ শতাংশ শুল্কের শাস্তি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরেও মচকালো না ইউরোপের দেশগুলি। রবিবার এক বার্তায় তারা জানাল, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের মানুষের পাশে আছে তারা। উল্লেখ্য, গতকাল ডেনমার্ক ছাড়াও নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ডের পণ্যের উপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই শুল্ক নিয়ম লাগু হবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে।

এদিন ইউরোপীয় দেশগুলি যৌথ ভাবে একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “আমরা পূর্ণ সংহতির সঙ্গে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের সঙ্গে আছি। ন্যাটোর সদস্য হিসেবে আমরা আটলান্টিক মহাদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চলের যৌথ স্বার্থের কথা ভেবে নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” পাশাপাশি ইউরোপের আট দেশ মনে করছে, ট্রাম্পের শুল্ক হুঁশিয়ারির জেরে ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছাতে পারে। আরও জটিল হতে পারে পরিস্থিতি।

Advertisement

প্রাথমিক ভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক চাপালেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তাঁর মনের মতো চুক্তি না হয় তবে ১ জুন থেকে মার্কিন মুলুকে ওই দেশ থেকে আসা পণ্যের উপরে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপাবেন। আরও বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় দেশগুলিকে “ভর্তুকি” দিয়ে আসছে আমেরিকা। এখন ডেনমার্কের প্রতিদান দেওয়ার সময় এসেছে। কারণ “বিশ্ব শান্তি ঝুঁকির মুখে”। সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প দাবি করছেন বিশ্বশান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য এই কঠিন পদক্ষেপ করা (শুল্ক চাপানো) অত্যন্ত জরুরি ছিল। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সংঘাত চরমে পৌঁছাতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেদিকেই এগোচ্ছে বিষয়টি। কারণ ইউরোপের দেশগুলি বুঝিয়ে হুমকি দিয়ে কাজ হবে না।

উল্লেখ্য, প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালিয়ে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এই মন্তব্যের সমালোচনাও করেছে ইউরোপের একাধিক দেশ। তাদের মধ্যে অন্যতম জার্মানি। বুধবার সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ডেনমার্কের আমন্ত্রণে ১৩ জন সেনা আধিকারিককে গ্রিনল্যান্ডে পাঠাচ্ছে তারা। সেই পথে হেঁটে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপে সেনা পাঠাচ্ছে সুইডেন, ফ্রান্স, নরওয়ে। শুধু তা-ই নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে কনস্যুলেট খোলার কথা জানিয়েছে কানাডা এবং ফান্স।

যদিও ন্যাটো গোষ্ঠীর কোনও দেশে অন্য শরিক দেশের সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত অস্বাভাবিক কিছু নয়। বরং আমেরিকাই দীর্ঘদিন ধরে মেরু প্রদেশে ন্যাটোর মহড়া চালানোর কথা বলে আসছে। উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে অন্তত ১৫০ জন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এভাবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের হুমকির পরে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, আমেরিকা যদি হামলা চালায়, তা হলে সেই মুহূর্তেই ন্যাটো ভেঙে যাবে। ডেনমার্কও মার্কিন হামলার প্রতিরোধ করবে বলেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.