Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
WHO

করোনার ভারতীয় স্ট্রেনের উপরে টিকার কার্যকারিতা এখনও অনিশ্চিত, আশঙ্কার কথা শোনাল WHO

এই মুহূর্তে বিশ্বের ৪৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই স্ট্রেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২১, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২১, ২০:১৩

options
link
করোনার ভারতীয় স্ট্রেনের উপরে টিকার কার্যকারিতা এখনও অনিশ্চিত, আশঙ্কার কথা শোনাল WHO zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিমধ্যেই করোনার (Coronavirus) B.1.617 স্ট্রেনকে ‘গোটা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক’ হিসেবে দেগে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO। এবার তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়ে দিল, এই ভারতীয় স্ট্রেনের (Indian strain) বিরুদ্ধে করোনা টিকা কতটা কার্যকর হবে ‌তা এখনও অনিশ্চিত। প্রসঙ্গত, ভারতের B.1.617 স্ট্রেনটি দেশে প্রথম দেখা গিয়েছিল অক্টোবরে। এই মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়েছে ৪৪টি দেশে। এই স্ট্রেন থেকে সংক্রমণের হার অনেক বেশি। এবং অ্যান্ডিবডির প্রভাবও এর উপরে অনেক কম।

‘হু’ জানাচ্ছে, B.1.17 স্ট্রেনটি ব্রিটেনে (Britain) পাওয়া গিয়েছিল। আর ভারতে মিলেছিল B.1.617 স্ট্রেন। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে এরা দুর্বল হতে শুরু করেছে। তার বদলে আরও বিপজ্জনক হতে শুরু করেছে ভারতীয় স্ট্রেনটির দুই রূপভেদ B.1.617.1 ও B.1.617.2। প্রাথমিক বিশ্লেষণ থেকে পরিষ্কার, এই দুই স্ট্রেন খুব দ্রুত ছড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, এই স্ট্রেনের উপরে টিকা ও ওষুধের প্রভাবের বিষয়টা এখনও অনিশ্চিত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক ডোজ টিকা করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে পারে ৮০%, দাবি গবেষণায়]

তবে কয়েকটি পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে ফাইজার ও মডার্না টিকার প্রভাব ভারতীয় স্ট্রেনের উপরে বেশ কম। আবার একেবারে ভিন্ন কথা বলছেন কয়েকজন মার্কিন বিশেষজ্ঞ। তাঁদের দাবি, ফাইজার, মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা ভারতীয় স্ট্রেনের উপরে খুবই কার্যকর। এখনও পর্যন্ত যা তথ্য মিলেছে, তা বেশ উৎসাহব্যঞ্জক বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা।

এদিকে ভারতে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বড় বড় রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় জমায়েত। বিশেষ করে, এই জমায়েতগুলিতে ন্যূনতম কোনওরকম দূরত্ববিধি না মানার জন্য বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি। তবে, এই সমাবেশগুলির জন্য ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

[আরও পড়ুন: দিল্লিকে স্বস্তি দিয়ে ‘প্রচণ্ড’ সমর্থনে নেপালের মসনদে কি এবার দেউবা?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.