সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকার পতনের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠক করলেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। আর সেখানেই তিনি তোপ দাগলেন বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে। তিনি বলেন, “সুশীলা কারকি সরকার কোনও কারণ ছাড়াই আমাকে গ্রেপ্তার করতে চাইছে।” তাঁর অভিযোগ, দেশের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার ব্যাপারে অন্তবর্তী সরকার কোনও গুরুত্ব দেখাচ্ছে না। উল্লেখ্য, এর আগেও গোপন আস্তানা থেকে কারকি সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন ওলি। গত মাসে শনিবার ভক্তপুরে তাঁর দল সিপিএন (ইউএমএল)-এর ছাত্র ও যুব সংগঠনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
রবিবার কাঠমান্ডুতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওলি বলেন, “কারকির অন্তবর্তীর সরকার কোনও কারণ ছাড়াই আমাকে গ্রেপ্তার করতে চাইছে। জেন জি-র রক্তাক্ষয়ী আন্দোলন গোটা দেশে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করেছিল। আগামী মার্চে নেপালে সাধারণ নির্বাচন। কিন্তু তা পরিচালনার ব্যাপারে সরকার কোনও গুরুত্ব দেখাচ্ছে না।” একইসঙ্গে ভেঙে যাওয়া হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ফের পুনর্গঠনেরও দাবি জানিয়েছেন ওলি।
উল্লেখ্য, ৮ সেপ্টেম্বর নেপালের সংসদের সামনে যুবসমাজের বিক্ষোভ চরম আকার নেয়। সোশাল মিডিয়া বন্ধের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল এই আন্দোলন দাবি ওঠে দুর্নীতিতে ভরা এই সরকারের অবসানের। বিক্ষোভ সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনী জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও গুলি ছোড়ে। যার জেরে মৃত্যু হয় ২১ জনের। তার পরদিন আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ১৫ জনের। গণবিক্ষোভে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৪। চাপের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেয় ওলি। পদত্যাগ করেন বহু মন্ত্রীও। ভেঙে যায় সরকার। এরপর ‘জেন জি’-র সমর্থনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হন সুশীলা কারকি।
সর্বশেষ খবর
-
মেসি গোল দিলেই ভক্তদের বিনামূল্যে বই! বিশ্বকাপ জ্বরে অভিনব ঘোষণা কলেজ স্ট্রিটের প্রকাশকের
-
ক্রমশ বিপদ বাড়ছে অভিষেকের, এবার ডিজে মন্তব্য মামলায় বাড়িতে সিআইডি
-
প্রেমের প্রস্তাবে ‘না’, চলন্ত বাসে কিশোরীর গলা কেটে খুন, কাটোয়ায় যুবকের যাবজ্জীবন
-
দাবি-দাওয়ার ভিড়ে লক্ষ্যহীন ‘ইন্ডিয়া ২.০’, নাগপাশে বন্দি বিরোধী জোটের পরিত্রাণ কোন পথে?
-
বসতেন জেলফেরত পার্থ! ‘কুনজর’ এড়াতে নবান্নের ঘরে পুজো করালেন প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা