Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
WHO

বাতাসের মাধ্যমেও ছড়ায় সংক্রমণ, বিজ্ঞানীদের তত্ত্বে ‘সম্মতি’ দিয়ে নয়া গাইডলাইন আনল WHO

আর কী জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২০, ২১:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২০, ২১:০৯

options
link
বাতাসের মাধ্যমেও ছড়ায় সংক্রমণ, বিজ্ঞানীদের তত্ত্বে ‘সম্মতি’ দিয়ে নয়া গাইডলাইন আনল WHO zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের ৩২টি দেশের ২৩৯ জন বিজ্ঞানী দীর্ঘ গবেষণার পর জানিয়েছিলেন, বাতাসের মধ্যেও ভেসে থাকে করোনা। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে যা শরীরে প্রবেশ করতে পারে। গোটা বিশ্বকে সচেতন করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (WHO) এই মর্মে চিঠিও দেন ওই বিজ্ঞানীরা। আর তাঁদের সেই চিঠি পাওয়ার পরই প্রাথমিকভাবে সংস্থা মেনে নিয়েছে, বাতাসের মাধ্যমেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। একইসঙ্গে জনসাধারণকে সতর্ক করতে নতুন গাইডলাইনও আনল WHO।

বৃহস্পতিবারই বিজ্ঞানীদের দল চিঠি পাঠায় হু’কে। অনুরোধ জানানো হয়, বাতাসের মধ্যে দিয়েও যে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, সে বিষয়ে সতর্ক করতে বিষয়টি গাইডলাইনে উল্লেখ করা হোক। তাঁদের মতে, জিম, রেস্তরাঁ, কিংবা বদ্ধ কোনও জনবহুল স্থানে বাতাসে ভাসে অদৃশ্য এই মারণ ভাইরাস (coronavirus)। যা ঢুকে পড়তে পারে নিঃশ্বাসের মধ্য দিয়ে। এরপরই নিজেদের পূর্ব অবস্থান থেকে সরে এসে হু প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞানীদের তত্ত্বে সহমত পোষণ করে। তবে একইসঙ্গে সংস্থা জানায়, বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ভুয়ো’ লাইসেন্সধারী পাইলটে ভরসা নেই, মার্কিন মুলুকে নিষিদ্ধ হল পাক বিমান সংস্থার উড়ান]

এর আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হুয়ের দপ্তরের তরফে পুনম খেতারপাল সিং জানিয়েছিলেন, কোনও ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকলে তিনি হাঁচলে বা কাশলে মুখ থেকে থুতু (droplets) ছিটকে আসতে পারে। তার সংস্পর্শে এলেই অন্য ব্যক্তির শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। সেই জন্যই মুখ চেপে কাশতে হবে। ব্যবহার করতে হবে মাস্ক। যদিও বর্তমানে বাতাস থেকে সংক্রমণের তত্ত্ব আর উড়িয়ে দিচ্ছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তাদের মতে, আইসিইউ, সিসিইউ-এর মতো বদ্ধ জায়গায় বাতাস সংক্রমকের ভূমিকা নিতে পারে। আরও নিশ্চিত হতে অবশ্য এ নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন আছে বলেই জানাচ্ছে WHO। তবে আপাতত বিজ্ঞানীদের দাবিকে উপেক্ষা না করার পথেই হাঁটল সংস্থা। গাইডলাইনে এই বিষয়টিকে জুড়ে নতুন করে সতর্ক করা হচ্ছে জনসাধারণকে।

[আরও পড়ুন: ঘাতক করোনা থেকে নিস্তার নেই, আশঙ্কায় গণকবর খুঁড়েই চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.