১২ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৯  শনিবার ২৮ মে ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘নিওকভ’ মানুষের জন্য কতটা বিপজ্জনক? মুখ খুলল WHO

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 29, 2022 10:07 am|    Updated: January 29, 2022 4:19 pm

WHO said that NeoCov requires further study to ascertain whether it poses a threat to humans | Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওমিক্রন (Omicron) আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে নিওকভ। যার সন্ধান পেয়েছেন করোনার (Coronavirus) আঁতুড়ঘর ইউহান শহরের গবেষকরা। তাঁদের দাবি এই ‘নিওকভ’ আগের সব স্ট্রেনের থেকে বিপজ্জনক এবং সংক্রামক। সত্যিই কি তাই? স্পষ্ট কোনও উত্তর এখনও দিতে পারছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

WHO said that NeoCov requires further study to ascertain whether it poses a threat to humans

 

নিওকভ নামের এই নয়া স্ট্রেনের অস্তিত্ব নিয়ে মুখ খুললেও WHO এখনও এনিয়ে কোনও গাইডলাইন দিতে পারেনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে,”নিওকভ নামের এই স্ট্রেনটি মানুষের জন্য কতটা বিপজ্জনক তা বুঝতে হলে এই ভাইরাসটি নিয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।” তবে, এরপরই উদ্বেগ বাড়িয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইঙ্গিত দিয়েছে আগামী দিনে করোনার এই নয়া স্ট্রেন মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ালে তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ, মানুষের শরীরে আসা ৭৫ শতাংশ সংক্রামক রোগই আসে কোনও না কোনও পশু থেকে। করোনাভাইরাসও বিভিন্ন প্রাণির শরীরে দেখা যায়।

[আরও পড়ুন: ইউহানে ফের আতঙ্ক! খোঁজ মিলল করোনার সবচেয়ে ভয়ংকর ‘নিওকভ’ স্ট্রেনের]

নিওকভ (NeoCoV) নতুন ভাইরাস নয়। এটা মিডল-ইস্ট রেসপিরেটারি সিনড্রোম বা MERS-CoV ভাইরাসের সঙ্গে যুক্ত। ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে এই ভাইরাসের সংক্রমণ চোখে পড়ত। এই ভাইরাসটি সাধারণত মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটায় না। মূলত, পশুপাখির শরীরেই এর সংক্রমণ দেখা যেত। প্রথমে এই ভাইরাসটি বাদুড়ের শরীরে সংক্রমণ ঘটায়। কিন্তু bioRxiv জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইউহানের গবেষকরা দাবি করেছেন, এই NeoCoV এবং এর ‘নিকটাত্মীয়’ PDF-2180-CoV মানুষের শরীরেও সংক্রমণ শুরু করেছে। বাদুড় থেকে উটের শরীর হয়ে এই ভাইরাসটি মানুষের শরীরের সংক্রমিত হচ্ছে এই নিওকভ।

[আরও পড়ুন: কোভিড আবহে শিশুদের জ্বর-সর্দি হলে কীভাবে হবে চিকিৎসা? গাইডলাইন দিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক]

ইউহান বিশ্ববিদ্যালয় (Wuhan University) এবং চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেসের গবেষকদের দাবি, আর মাত্র একবার মিউটেশন হলেই এই ভাইরাসটি মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।নতুন এই NeoCoV স্ট্রেনের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হল এর মারণক্ষমতা। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই ভাইরাসে মৃত্যুহার ৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি তিনজন সংক্রমিতের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে