Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Rishi Sunak

কেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে বসা হল না ঋষি সুনকের? নেপথ্য এই কারণগুলি

সুনকের স্ত্রী জড়িয়েছিলেন একাধিক বিতর্কে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২, ২০:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২, ২০:২২

options
link
কেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে বসা হল না ঋষি সুনকের? নেপথ্য এই কারণগুলি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশা জাগিয়েও ছোঁয়া হল না মাইলস্টোন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর (Britain PM) কুরসির জন্য জোরদার লড়াই করেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। কনজারভেটিভ দলের নেতারা ভরসা রাখলেন ব্রিটিশ নেত্রী লিজ ট্রাসের উপর। কিন্তু কেন? এত লড়াই করেও কেন ব্রিটেনের কুরসিতে বসা হল না তাঁর?

প্রথম থেকে জোর লড়াই দিচ্ছিলেন ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির জামাই। বহু পোড়খাওয়া সাদা চামড়ার রাজনীতিবিদকে পিছনে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষদফায় এসে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন তিনি। রাজনৈতিক মহল বলছে, এর অন্যতম কারণ তাঁর স্ত্রী অক্ষতাকে ঘিরে চলতে থাকা বিতর্ক।

Advertisement

[আরও পড়ুন; ‘কুয়ালালামপুর আক্রমণে শক্তিশালী, সেট পিসেও ভয়ংকর’, মোহনবাগানকে সতর্কবার্তা সোনির]

কথায় বলে পতির পুণ্যে স্বর্গলাভ। সুনকের ক্ষেত্রে কিন্তু পত্নীভাগ্যে বিতর্ক লাভ হয়েছিল। একদিকে বিপুল সম্পত্তি, তো অন্যদিকে আয়কর ফাঁকি, আবার রাশিয়ার সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের জেরে তদন্তের আওতায় চলে আসেন পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার অক্ষতা। পেশার কারণে অন্যান্য দেশ থেকে ব্রিটেনে আসা নাগরিকদের বিশেষ কর দিতে হয়। সুনকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে সেই কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে। তিনি নাকি প্রভাব খাটিয়ে সেই করের আওতার বাইরে চলে আসেন। বলা হয়ে থাকে, অক্ষতার সম্পত্তি নাকি ব্রিটেনের রাণি এলিজাবেথের চেয়েও বেশি। এই বিতর্কের আঁচ আসে সুনকের গায়েও।

অভিযোগ, ব্রিটেনের অর্থসচিবের হওয়ার আগে সুনকের নামে থাকা সংস্থার কিছু শেয়ার অক্ষতার নামে স্থানান্তরিত হয়। ইনফোসিসের দপ্তর রয়েছে রাশিয়াতেও। ফলে মস্কোর সঙ্গে অক্ষতার বিশেষ সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ইউক্রেন-রাশিয়ার দ্বন্দ্বের মাঝে ব্রিটেনের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্কের অবনতি হয়। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সঙ্গে অক্ষতার সম্পর্ক প্রভাব ফেলে প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে থাকা সুনকের ভাবমূর্তিতে।

[আরও পড়ুন; ‘কুয়ালালামপুর আক্রমণে শক্তিশালী, সেট পিসেও ভয়ংকর’, মোহনবাগানকে সতর্কবার্তা সোনির]

তবে সমস্ত দোষ যে অক্ষতার তা বললে ভুল করা হবে। অর্থসচিব হিসেবে সুনকের পারফরম্যান্সে খুশি নয় কনজারভেটিভ দলের সদস্যরাই। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এক সমীক্ষা বলছে, সুনকের করনীতি না পসন্দ ছিল ৮ শতাংশ সদস্যর। আবার ৫ শতাংশ সদস্য বলেছেন সহজে তাঁর কাছে পৌঁছনো যেত না। ‘ডিপ্রাইভড আরবান এরিয়াস’ -এর তহবিলের অর্থ কেন্ট কমিউটারস বেল্ট প্রকল্পে ঢালার পরামর্শ দিয়েছিলেন সুনক। যা আদও পছন্দ হয়নি দলের একাংশের।

আবার কেউ কেউ মনে করেন, নিজের স্বার্থে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পিছন থেকে ছুরি মেরেছিলেন। বরিসকে ইস্তফা দিতে কার্যত বাধ্য করেছিলেন সুনক বলেও অভিযোগ। আর এসব কারণেই সুনকের ঠোঁট আর কাপের মধ্যে পার্থক্যটা রয়েই গেল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.