Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

মহাকাশ থেকেও ব্যবহার করা যাবে ফেসবুক!

সত্যিই মহাকাশ নিয়ে উৎসাহ থাকে, তাহলে আপনাকে ১ জুলাই চোখ রাখতেই হবে ফেসবুকের নাসার অফিসিয়াল পেজের দিকে৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৬, ১২:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৬, ১২:১৫

options
link
মহাকাশ থেকেও ব্যবহার করা যাবে ফেসবুক! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাকাশ নিয়ে উৎসাহ থাকলে চোখ রাখুন ফেসবুকের পাতায়৷ কারণ এবার থেকে শুধু পৃথিবীতেই নয়, মহাকাশ থেকেও ব্যবহার করা যাবে ফেসবুক! কোনও কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়৷ ‘ফেসবুক লাইভ’ সরাসরি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ আগামী ১ জুলাই নিজেই সরাসরি ফোন করবেন তিনজন মহাকাশচারীকে৷ বর্তমানে নাসার মহাকাশ কেন্দ্রে (স্পেস স্টেশন) রয়েছেন টিম কোপরা, জেফ উইলিয়ামস, টিম পিয়াকে এই তিন মহাকাশচারী৷ ফেসবুক লাইভ ভিডিও-র মাধ্যমে পৃথিবী থেকে মহাকাশে বার্তা আদানপ্রদান হবে৷ কুড়ি মিনিটের মতো সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে এই ফোনের জন্য৷ নাসার ফেসবুক পাতায় জুকারবার্গ প্রশ্ন করবেন মহাকাশচারীদের উদ্দেশে৷ এই প্রথম পৃথিবী থেকে মহাকাশচারীদের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে সংযোগ ঘটবে৷
ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক ১ জুলাই রাত ১২.৫৫ মিনিট নাগাদ মহাকাশচারীদের সঙ্গে কথা বলবেন৷ যে ব্যবহারকারীরা নাসার ফেসবুক পেজে রয়েছেন, তাঁরাও এটি প্রত্যক্ষ করবেন বলেই জানিয়েছেন মার্ক৷ কোপরা ও উইলিয়ামস নাসার দু’জন বিজ্ঞানী, অন্যদিকে পিয়াকে ইসা (ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি)-র মহাকাশবিজ্ঞানী৷ ‘এই সংযোগ কি আদৌ সরাসরি হবে? পৃথিবীকে ঘিরে যে অণু-মহাকর্ষ কাজ করছে সেখানে এটি কাজ করবে? মহাকাশ কেন্দ্রের গবেষণাগারে কীভাবে এটি যুক্ত হবে? মহাকাশ গবেষণা কীভাবে মঙ্গলে মহাকাশচারী পাঠানোর অভিযানে প্রস্তুতি নিচ্ছে,’ নাসার ফেসবুক পেজের বিবৃতি অনুযায়ী এই জাতীয় প্রশ্নগুলিই মার্ক জুকারবার্গ তুলে ধরবেন মহাকাশচারীদের কাছে৷
নাসার জ্যাসন টাউনসেন্ডের সদর দফতর, ওয়াশিংটন, হিউস্টনের জনসন মহাকাশ কেন্দ্রের হেলে ফিকসের রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক এই মহাকাশ কেন্দ্রটি (আইএসএস) বিশ্বের অন্যতম সেরা গবেষণাগার৷ ‘কাটিং এজ মাইক্রোগ্র্যাভিটি’ বিষয়ে গবেষণার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র এটি৷ প্রযুক্তি তৈরি করা, মহাকাশে মহাকাশচারীর পাঠানোর প্রাথমিক ধাপ, রোবটিক সংক্রান্ত গবেষণা, লো-আর্থ অরবিটের (পৃথিবীর কক্ষপথের নিচে) স্থান (ডেস্টিনেশন) খোঁজা, নক্ষত্রপুঞ্জ অ্যাস্টেরয়েড, মঙ্গল-অভিযান এই জাতীয় গবেষণার মূল তত্ত্ব নিয়েই এখানে গবেষণা হয়৷ মার্কের অন্যান্য প্রশ্নের মধ্যে থাকবে আইএসএস-এ খাবার নষ্ট হতে কতটা সময় নেয়? এবার যদি সত্যিই মহাকাশ নিয়ে উৎসাহ থাকে, তাহলে আপনাকে ১ জুলাই চোখ রাখতেই হবে ফেসবুকের নাসার অফিসিয়াল পেজের দিকে৷

Advertisement
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.