Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬

গল্প নয়, ডাইনির হাড়হিম করা সত্যি ঘটনা অবলম্বনেই তৈরি ‘স্ত্রী’

জানেন সেই গল্প?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮, ১৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮, ১৯:৪৭

options
link
গল্প নয়, ডাইনির হাড়হিম করা সত্যি ঘটনা অবলম্বনেই তৈরি ‘স্ত্রী’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই গা ছমছম করতে শুরু করেছিল। এখন বড়পর্দায় রমরমিয়ে চলছে রাজকুমার রাও অভিনীত ‘স্ত্রী’। গল্পের গরু গাছে ওঠার প্রবাদ বেশ প্রচলিত। অনেকেই এই ছবি দেখার পর এমন কথাই বলেছেন। কিন্তু জানেন কি নেহাতই রূপকথার গল্প নয়, হাড়হিম করা ভূতুড়ে-কমেডির সঙ্গে বাস্তবের যোগাযোগ রয়েছে?

[কর্কট-লড়াইয়ে জয়, ফের রূপোলি পর্দায় ফিরছেন ইরফান]

ছবির পরিচালক অমর কৌশিক খোদ এ কথা জানিয়েছেন। বেঙ্গালুরুতে ‘নালে বা’ নামের ডাইনি সাড়া ফেলে দিয়েছিল। যার নাম শুনলে এখনও শিরদাঁড়া দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে যায় মানুষের। তার থেকেই অনুপ্রাণিত ‘স্ত্রী’র গল্প। তবে শুধু তার কাহিনিই নয়, দেশে ডাইনি নিয়ে যে সমস্ত গল্প ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, সেসবকে মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে ‘স্ত্রী’-র চিত্রনাট্য। বছর তিরিশেক আগের কথা। তখনও ভারতের সিলিকন ভ্যালি হিসেবে পরিচিতি পায়নি বেঙ্গালুরু। শোনা যায়, সে সময় এক ডাইনি বেঙ্গালুরুর রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াত। সকলকে ভয় দেখিয়ে নিজের শিকার বানাত। রাত হলেই দরজায় কড়া নাড়ত সে। উদ্দেশ্য ছিল, অল্পবয়সি যুবকদের বাড়ি থেকে বের করে আনা। সেই যুবকের পছন্দের মহিলার গলা করেই ডাক দিত ওই ডাইনি। কোনও সময় মা, তো কোনও সময় স্ত্রীর গলার শব্দ করে পুরুষদের আকৃষ্ট করত সে। আর সেই ডাকে সাড়া দিলেই নেমে আসত বিপদ। দরজা খুলে প্রথমে কারও দেখা না মিললেও সে ডাকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই যুবকের মৃত্যু ছিল অবধারিত। সে সময় ডাইনির এমন তাণ্ডব এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘স্বজনপোষণ ইন্ডাস্ট্রির একটা অঙ্গ’, অবশেষে স্বীকারোক্তি বরুণের]

বিষয়টি এতটাই প্রকট হয়ে ওঠে যে এর বিরুদ্ধে একত্রিত হন শহরের মানুষ। কীভাবে এমন ভয়ংকর ঘটনা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে, তার পথ খুঁজতে শুরু করেন প্রত্যেকে। প্রতিটি বাড়ির দরজার বাইরে লিখে দেওয়া হয় ‘নালে বা’। এই কন্নড় শব্দটির মানে ‘কাল এসো’। রাত হলে বাড়ির ভিতর থেকেও একই কথা বলা হত। উদ্দেশ্য, সেই পিশাচকে ফেরানো। এভাবেই এলাকার যুবকদের একটা করে রাত নিরাপদে রাখা সম্ভব হত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে সে গল্পও ফ্যাকাসে হয়ে যায়। তবে এখনও বেঙ্গালুরুর কিছু বাড়ির দরজায় ‘নালে বা’ লেখা দেখতে পাওয়া যায়। এমনকী কিছু জায়গায় পয়লা এপ্রিল ‘নালে বা’ দিবসও পালিত হয়। এমন তথ্য জানার পর সত্যি ঘটনা অবলম্বিত এ ছবি দেখার আগ্রহ কি বেড়ে গেল? তাহলে সাবধান! রাতে একা যাবেন না। পারলে সঙ্গী নিয়ে যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.