Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Dalai Lama

গ্র্যামির মঞ্চে টেক্কা দলাই লামার, কোন বিভাগে পুরস্কৃত ধর্মগুরু?

৬৮ তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে সম্মানিত দলাই লামা। সেরা অডিও বুক, ন্যারেশন অ্যান্ড স্টোরিটেলিং রেকর্ডিং সম্মানে সম্মানিত নবতিপর দলাই লামা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৩:৪৭

options
link
গ্র্যামির মঞ্চে টেক্কা দলাই লামার, কোন বিভাগে পুরস্কৃত ধর্মগুরু? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

গ্র্যামির মঞ্চে টেক্কা অ্য়াধাত্মিক জগতের আইকনের। দলাই লামার (Dalai Lama) ঝুলিতে এবার নয়া প্রাপ্তি। ৬৮ তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে সম্মানিত তিনি। সেরা অডিও বুক, ন্যারেশন অ্যান্ড স্টোরিটেলিং রেকর্ডিং সম্মানে সম্মানিত নবতিপর দলাই লামা। তবে তিনি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন না। তাই তাঁর হয়ে পুরস্কার নেন সঙ্গীতশিল্পী রুফাস ওয়েনরাইট।

এই বিভাগে প্রতিযোগিতা যে খুব সহজ ছিল তেমন মোটেও নয়। মনোনীতদের তালিকায় ছিলেন গ্র্যামির সঞ্চালক ট্রেভর নোয়া, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কেটানজি ব্রাউন জ্যাকসন, মিলি ভানিলির, ফ্যাব মরভ্যান। সকলকে টেক্কা দিয়ে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছেন দলাই লামা। তাঁর শান্তির বাণীর সঙ্গে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মিশেলে তৈরি ‘মেডিটেশন: দ্য রিফ্লেকশনস অফ হিজ হোলিনেস দ্য দলাই লামা’র জন্য পুরস্কৃত দলাই লামা। তাঁর হয়ে পুরস্কার নেওয়ার পর মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, “দলাই লামার সঙ্গে দয়া, মমতা, আত্মচিন্তার বার্তাভিত্তিক অনুষ্ঠানে কাজ করতে পেরে আমি ধন্য। এর বেশি আর কী-ই বা পেতে পারি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, তিব্বতের হানাদার চিনা বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে ১৯৫৯ সালের রাতে ২৩ বছরের এক যুবাপুরুষ পাহাড়ের দুর্গমতাকে অগ্রাহ্য করে এগিয়ে গিয়েছিলেন ভারতের উদ্দেশে। তাঁর নাম তেনজিন গিয়াতসো। কিন্তু সকলের কাছে সেই নাম নয়, তাঁর পরিচিতি দলাই লামা হিসেবে। চতুর্দশ দলাই লামা। সেই যে ভারতে এলেন তিনি এরপর থেকে এদেশই তাঁকে নিজের করে নিয়েছে। তাঁকে নিয়ে ভারতের সঙ্গে চিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলেছে। দুই দেশের এই টানাপোড়েনের মাত্রা যে এতটুকু কমেনি তা বারবার প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। দলাই লামাকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’বলেই মনে করে বেজিং। বর্ষীয়ান ধর্মগুরু নিজের দেশ নয়, বারবার ভারতের প্রতিই কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু দলাই লামার পাশে রয়েছে ভারত। গত কয়েক দশকের মতোই। ফলে কূটনৈতিক চাপ তৈরি করলেও তাদের যে হারতেই হবে তাও ভালোই বুঝছে বেজিং। দলাই লামা ও ভারত আজ এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম। চিনা রক্তচক্ষুরও সাধ্য নেই সেখানে কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.