নন্দন দত্ত, সিউড়ি: জয়নগর, আলিপুরদুয়ারের পর এবার শুটআউট বীরভূমের দুবরাজপুরে৷ শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় জখম হয়েছেন তৃণমূল নেতার ছেলে৷ কী কারণে দুষ্কৃতীরা তাঁকে টার্গেট করল, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ গুরুতর জখম অবস্থায় ওই যুবক স্থানীয় এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি৷
[‘জগন্নাথকে নামিয়ে নিজেরাই কৃষ্ণ সেজেছে’, রথ নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয়র]
শীতে কার্যত জবুথুবু দক্ষিণবঙ্গের জেলা বীরভূম৷ শীতের রাতে একটু তাড়াতাড়ি নিশুতি হয়ে যাচ্ছে গোটা এলাকা৷ শুক্রবার রাতেও একই পরিস্থিতি ছিল৷ রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ আচমকাই গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা৷ তড়িঘড়ি বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন এলাকাবাসী৷ বাড়ি থেকে বেরিয়ে অবাক হয়ে যান তাঁরা৷ দেখেন স্টেডিয়াম পাড়ার কাছে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছেন দুবরাজপুরের বিদায়ী পুরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডের ছেলে অর্ক৷ প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একদল দুষ্কৃতী অর্ককে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে চম্পট দেয়৷ রক্তাক্ত অবস্থায় তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করা হয়৷ প্রথমে দুবরাজপুরের মানসায়র স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় অর্ককে৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ওই তৃণমূল নেতার ছেলেকে৷ তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক৷
[পরকীয়ায় বাধা, স্ত্রীর উপর অ্যাসিড হামলা স্বামীর]
এই ঘটনাটি শুটআউট বলে মানতে নারাজ দুবরাজপুরের বিদায়ী পুরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে৷ তাঁর দাবি, বাইক থেকে পড়ে গিয়েই চোট পেয়েছেন অর্ক৷ যদিও পুলিশের দাবি একেবারেই অন্যরকম৷ তদন্তকারীদের দাবি, গুলি চলার পরই বিদায়ী এক কাউন্সিলরকে ফোন করেন অর্ক৷ তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়েছে বলেও জানান তিনি৷ তবে কেন তৃণমূল নেতা তাঁর ছেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ দুবরাজপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে৷
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার